বুধবার, ১৭ Jun ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত
জাহাজে ৭ খুনের রহস্য উদঘাটন

জাহাজে ৭ খুনের রহস্য উদঘাটন

ডেস্ক রিপোর্ট-

চাঁদপুরে জাহাজে ৭ খুনের ঘটনার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত আকাশ মন্ডল ওরফে ইরফান।

আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেফতারের পর আসামির জবানবন্দি ও র‍্যাবের বর্ণনা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

খুনের কাজে তার ব্যবহৃত যে চাইনিজ কুড়ালটি ছিল সেটিও জাহাজে মাস্টারের নিরাপত্তার জন্য রাখা ছিল।

ইরফান জানায়, বেতন না দেয়ায় ক্ষোভ থেকে জাহাজের মাস্টারকে উচিত শিক্ষা দেয়ার পরিকল্পনা করে সে। আর বাকিরা প্রতিবাদ না করায় তাদের ওপরও ক্ষোভ ছিলো ইরফানের।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি তিন পাতা ঘুমের ওষুধ কিনেন। সেসব তিনি নিজের কাছে রেখে দেন। গত ২২ ডিসেম্বর যখন জাহাজটি চট্টগ্রাম থেকে সিরাজগঞ্জের পথে রওনা হয় তখন চাঁদপুরের হাইনচর এলাকায় পৌঁছানোর পর সেখানে জাহাজটি নোঙর করা হয়।

তিনি জানান, সেদিন রাতের খাবারের সাথে ৩ পাতা ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন আকাশ মণ্ডল। খাবার খেয়ে জাহাজের অন্য সদস্যরা নিজেদের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। সর্বশেষ বেঁচে থাকা জুয়েল রাত ২টার দিকে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। তবে আকাশ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পায়চারি করতে থাকে এবং একপর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটার দিকে সে প্রথমে জাহাজের মাস্টারকে একটি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তার মূলত জাহাজের মাস্টারের ওপরই ক্ষোভ ছিলো। মাস্টারকে খুনের পর তার মনে হয় বাকিরা বেঁচে থাকলে সে ধরা খেয়ে যাবে এবং তাদের ওপর একটা ক্ষোভও ছিল। পড়ে একে একে বাকি সদস্যদের কুপিয়ে হত্যা করে সে। বেঁচে থাকা জুয়েলকেও মারার জন্য গলায় কোপ দেয় সে, তবে ভাগ্যক্রম বেঁচে যায় জুয়েল।

পরবর্তীতে,ভোর সাড়ে ৫টার দিকে যখন অন্যান্য নোঙর করা জাহাজগুলো তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, আকাশ তখন জাহাজটিকে চালিয়ে যাত্রা শুরু করে। এক ঘণ্টা চালানোর পর হাইনচরে গিয়ে জাহাজটি আটকা পড়ে। সেখান থেকে একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যায় ইরফান।

পালিয়ে যাওয়ার সময় বাকিদের ফোন নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। খুন করে ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত কারোর কাছে স্বীকার করেননি বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com