বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ? মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
জাহাজে ৭ খুনের রহস্য উদঘাটন

জাহাজে ৭ খুনের রহস্য উদঘাটন

ডেস্ক রিপোর্ট-

চাঁদপুরে জাহাজে ৭ খুনের ঘটনার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত আকাশ মন্ডল ওরফে ইরফান।

আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেফতারের পর আসামির জবানবন্দি ও র‍্যাবের বর্ণনা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

খুনের কাজে তার ব্যবহৃত যে চাইনিজ কুড়ালটি ছিল সেটিও জাহাজে মাস্টারের নিরাপত্তার জন্য রাখা ছিল।

ইরফান জানায়, বেতন না দেয়ায় ক্ষোভ থেকে জাহাজের মাস্টারকে উচিত শিক্ষা দেয়ার পরিকল্পনা করে সে। আর বাকিরা প্রতিবাদ না করায় তাদের ওপরও ক্ষোভ ছিলো ইরফানের।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি তিন পাতা ঘুমের ওষুধ কিনেন। সেসব তিনি নিজের কাছে রেখে দেন। গত ২২ ডিসেম্বর যখন জাহাজটি চট্টগ্রাম থেকে সিরাজগঞ্জের পথে রওনা হয় তখন চাঁদপুরের হাইনচর এলাকায় পৌঁছানোর পর সেখানে জাহাজটি নোঙর করা হয়।

তিনি জানান, সেদিন রাতের খাবারের সাথে ৩ পাতা ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন আকাশ মণ্ডল। খাবার খেয়ে জাহাজের অন্য সদস্যরা নিজেদের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। সর্বশেষ বেঁচে থাকা জুয়েল রাত ২টার দিকে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। তবে আকাশ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পায়চারি করতে থাকে এবং একপর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটার দিকে সে প্রথমে জাহাজের মাস্টারকে একটি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তার মূলত জাহাজের মাস্টারের ওপরই ক্ষোভ ছিলো। মাস্টারকে খুনের পর তার মনে হয় বাকিরা বেঁচে থাকলে সে ধরা খেয়ে যাবে এবং তাদের ওপর একটা ক্ষোভও ছিল। পড়ে একে একে বাকি সদস্যদের কুপিয়ে হত্যা করে সে। বেঁচে থাকা জুয়েলকেও মারার জন্য গলায় কোপ দেয় সে, তবে ভাগ্যক্রম বেঁচে যায় জুয়েল।

পরবর্তীতে,ভোর সাড়ে ৫টার দিকে যখন অন্যান্য নোঙর করা জাহাজগুলো তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, আকাশ তখন জাহাজটিকে চালিয়ে যাত্রা শুরু করে। এক ঘণ্টা চালানোর পর হাইনচরে গিয়ে জাহাজটি আটকা পড়ে। সেখান থেকে একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যায় ইরফান।

পালিয়ে যাওয়ার সময় বাকিদের ফোন নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। খুন করে ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত কারোর কাছে স্বীকার করেননি বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com