সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি উত্তমপুর গ্রামের ছোট্ট ব্রিজের নির্মাণকাজ

বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি উত্তমপুর গ্রামের ছোট্ট ব্রিজের নির্মাণকাজ

ডেস্ক রিপোর্ট-
সরকারি বরাদ্দ ও উপকরণ সরবরাহের এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর গ্রামের একটি ছোট্ট ব্রিজের কাজ এখনো অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এতে প্রতিদিন শতাধিক মানুষ বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ, শিশু এবং স্কুল -কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ব্রিজের উপর দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন।

এ ঘটনায় বড়ইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ কবির হাওলাদারের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট সরকারি অর্থ আত্মসাত এবং দায়িত্বে অবহেলার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত বছর কাজ শুরু হলেও প্রকল্পের অর্থ উত্তোলন করে পুরনো ভাঙা পাটা ব্যবহার করে ব্রিজের আংশিক কাঠামো তৈরি করে তা অসম্পূর্ণ রেখেছেন মেম্বার ও চেয়ারম্যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, উক্ত কাজের জন্য চেয়ারম্যান কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর মেম্বার মো: কবির হাওলাদার তৎক্ষণাৎ দুটি অ্যাঙ্গেলের উপর অন্য জায়গা হতে নিয়ে আসা বেশ কিছু পুরনো ভাঙ্গা পাটা ব্রিজে বসান। কিন্তু এর দু’ পাশে কোন প্রকার হাতল ও মাটি ফালানো ছাড়াই ব্রিজটির নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন তিনি। অথচ প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ তিনি আগেই বুঝে নিয়েছেন।

পরবর্তীতে চেয়ারম্যান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মেম্বারকে একাধিকবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কাজ শেষ না করায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ খরচে মাটি ফেলে সেটিকে কোনরকম চলাচলযোগ্য করে তোলেন।

স্থানীয়রা জানান, “প্রতিদিন প্রায় শতাধিক মানুষ এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের প্রত্যেকটি পাটার মাঝখানে ফাঁক রয়েছে এবং দুই পাশে কোনো সাপোর্ট না থাকায় যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।তাই ইউএনও মহোদয় বরাবর দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন করার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছি।”

এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও অভিযুক্ত মেম্বারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com