শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা

বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি –

ফরিদপুরের বোয়ালমারী আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে একই স্থানে বিএনপির দুই গ্রুপ আগামীকাল শুক্রবার পৃথক সভার ঘোষণা দেয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, ২৮ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল আড়াইটায় উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন স্টীল পট্টি এলাকায় প্রতিবাদ সভা ডেকেছে ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু গ্রুপ। সেই একই স্থানে মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে বিকেল তিনটায় জনসভার ডাক দিয়েছে বিএনপির আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী গ্রুপ।

গত ৭ নভেম্বর বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের দিনে ঘটা সহিংসতার দগদগে স্মৃতি এখনও তাজা। সেই ঘটনার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই নতুন কর্মসূচি পরিস্থিতিকে আবারো বিস্ফোরণমুখী করে তুলেছে। ওই দিনের সংঘর্ষে বিএনপির স্থানীয় কার্যালয় ছিল প্রধান হামলার লক্ষ্যবস্তু। অভিযোগ অনুযায়ী, খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী গ্রুপ এবং শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু গ্রুপের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ায়।

ঝুনু গ্রুপের অভিযোগ—খন্দকার নাসিরুল ইসলামপন্থী নেতাকর্মীরা তাদের বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও দলীয় প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। কার্যালয়ের বাইরে থাকা নয়টিরও বেশি মোটরসাইকেলেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওই সংঘর্ষে বহু নেতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ছিলেন ঝুনু গ্রুপের উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মিনাজুর রহমান লিপন।

এ অবস্থায় দুই গ্রুপের একই স্থানে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকে বলছেন, “এটা আর রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটা প্রকাশ্যে শক্তি প্রদর্শন।”

স্থানীয়রা— বিশেষ করে ব্যবসায়ী, সাধারণ পথচারী সবাই আগের সহিংসতার স্মৃতি মনে করে উদ্বিগ্ন। গতবারের আগুন, ধোঁয়া আর পালিয়ে বাঁচার আতঙ্ক কেউই আবার দেখতে চায় না।

বর্তমানে বোয়ালমারীজুড়ে একটাই প্রশ্ন—আগামীকাল শান্তি নাকি নতুন ধ্বংসযজ্ঞ? দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে অনীহা প্রকাশ করায় পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাই বোয়ালমারীর মানুষ এখন তাকিয়ে আছে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের দিকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঊধ্বর্তনদের বিষয়টি অবগত করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com