বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাত বছরের আইনি জটিলতা কাটল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে বাধা নেই এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে, মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব ষাটের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই ১৫ বছর পর ফিরছে ‘দ্য ডার্টি পিকচার’, নতুন গল্প নিয়ে একতা কাপুর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবার সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া কলকাতায় মারা যাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ দেশে খুলনায় ছিনতাইকারীদের চাপাতির কোপে পুলিশ পরিদর্শক গুরুতর আহত যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বন্দুক হামলা, দুই শিশুসহ নিহত ৯ গ্র্যামির দৌড়ে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’, ৯টি সংগীত এন্ট্রি জমা সাত দিনেই ৩৮৩ কোটি রুপি আয়, বক্স অফিসে ঝড় তুলল ‘দৃশ্যম ৩’
সাত বছরের আইনি জটিলতা কাটল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে বাধা নেই

সাত বছরের আইনি জটিলতা কাটল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে বাধা নেই

ডেস্ক রিপোর্ট:

দীর্ঘ সাত বছর ধরে জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতায় আটকে থাকা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও এর নিচে চার লেনের রেলপথ উন্নয়নকাজের বাধা দূর হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ তুলে নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উন্নয়নকাজ পরিচালনায় আর আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মগবাজারের পিয়ারাবাগ অংশে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নকাজ বন্ধ ছিল। একই জমির মালিকানা দাবি করেন এক ব্যক্তি ও বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ নিয়ে মামলা ও পাল্টা আইনি প্রক্রিয়ায় প্রকল্পের ওই অংশের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং এর নিচে চার লেনবিশিষ্ট রেলপথ উন্নয়নের কাজ পরিচালনায় সরকারের ওপর থাকা আইনি বাধা দূর হয়েছে।

জানা গেছে, জমির মালিকানা দাবি করে এ এম মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ওই বছরের ২৯ মার্চ ট্রাইব্যুনাল তার পক্ষে রায় দেন।

পরবর্তী সময়ে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকারের পক্ষ থেকে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর আপিল ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।

এরপর সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে এ এম মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে স্থিতাবস্থার আদেশ দেন। ফলে উন্নয়নকাজ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়।

বুধবার অবকাশকালীন বিচারপতির বিশেষ অনুমতি নিয়ে চেম্বার আদালতে আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ তুলে দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নকাজ পুনরায় এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে চেম্বার আদালতের এ আদেশে উন্নয়নকাজের ওপর থাকা স্থিতাবস্থার বাধা দূর হয়েছে; জমির মালিকানাসংক্রান্ত সব আইনি বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে—এমনটি বলা যাচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com