শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
পাবনায় তিনটি বাঘ শাবক উদ্ধার

পাবনায় তিনটি বাঘ শাবক উদ্ধার

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের খিদিরপুর হাড়লপাড়া থেকে ৩টি মেছো বাঘের ছানা উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে ছানাগুলো উদ্ধার করে পাবনার সামাজিক বন বিভাগ।

পরে গতকাল সকালে রাজশাহী বন বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার আটঘরিয়া উপজেলার হাড়লপাড়া গ্রামে নেপিয়ার ঘাসের জমিতে মেছো বাঘের ছানাদের পড়ে থাকতে দেখেন মৃত মফিজ উদ্দিন খানের ছেলে জাফর ইকবাল। তারপর তিনি স্থানীয় সংগঠন ও বন বিভাগের নম্বরে ফোন করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়।

খবর পেয়ে জেলা বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার রঞ্জিবুল আমিন ও ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া উপজেলার বন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছানা তিনটি উদ্ধার করেন।পাবনার সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়েই দ্রত আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঘের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করি।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহ খানেক আগে এই বাচ্চাগুলো জন্ম নিয়েছেন। বাচ্চাগুলো খুব ছোট হওয়ায় আমরা ফিডারে করে দুধ পান করিয়েছি। রাজশাহী অফিসের বন্যপ্রানী বিভাগের পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখার জন্য তাদের সাথে কথা বলে গাড়িতে করে বিকেলে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। পাবনার প্রকৃতি ও বন্যপ্রানী বিষয়ক সংগঠন নেচার এ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন কমিউনিটি (এনডাবিøউসিসি) এর সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদ ডি স্থানীয়দের ফোনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছানাগুলো দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি বাচ্চাগুলো মেছোবাঘের।

এলাকা ভেদে এরা বাঘরোল বা মেছো বিড়াল নামেও পরিচিত। তিনি বলেন, এগুলোর ইংরেজি নাম বৈজ্ঞানিক নাম মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী এরা। তিনি আরও বলেন, বিগত কয়েক দশক আগেই বাঘরোলের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তথ্যমতে, ২০০৮ সালে মেছোবাঘকে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে আইইউসিএন।

বাংলাদেশে ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। বাঘরোল সাধারণত নদীর ধারে, পাহাড়ি ছড়া ও জলাভূমিতে বাস করে। এরা সাঁতারে পারদর্শী হওয়ায় এ ধরনের পরিবেশে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। এদের গায়ে ছোপ ছোপ চিহ্ন থাকার জন্য চিতাবাঘ বলেও ভুল করে অনেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com