বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
প্রকাশিত ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ

বাংলাদেশ বুলেটিন ডেক্স :

গত ১৩ আগস্ট একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের আদলে গড়ে তোলা bdstatenews.com নামের ভুয়া একটি ফেসবুক পেজে‘ আজিম গ্রুপের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্বনামধন্য তৈরি পোশাক রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের গ্লোবাল ফ্যাশন গার্মেন্টস লি: এর প্যাকিং ইনচার্জ মো: ওবায়দুর রহমান ও কারখানাটির সিকিউরিটি ইনচার্জ মো: মাজদার রহমান।

যৌথ এক প্রতিবাদ লিপিতে তারা বলেছেন, আমাদের জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কোন ধরনের সূত্র ছাড়াই এই সংবাদটি ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে। আমরা এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, যে ‘এক্সপোর্ট জোন’ নামের প্রতিষ্ঠানের সাথে একজন কর্মকর্তার কেনাকাটার ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ অসত্য ও ভুয়া। এই নামের কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের কোন পরিচয় কিংবা যোগাযোগ নেই আর যোগাযোগের কোন প্রশ্নই আসে না। কারণ আমরা চাকুরি করি, ব্যবসা নয়।
সিকিউরিটি ইনচার্জ ও প্যাকিং ইনচার্জের নামে গার্মেন্টস পণ্য প্যান্ট ও জ্যাকেট চুরি করে লোকাল মার্কেটের ‘এক্সপোর্ট জোন’ নামক প্রতিষ্ঠানে বিক্রির যে অভিযোগ করা হয়েছে তাতে আমরা কিংবা সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে কথা বললেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যেতো।
 
এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ নেই এবংকি তাদের সঙ্গে আমাদের কোনও ধরণের লেনদেন বা মালামাল বিক্রির ঘটনা ঘটেনি। এই প্রতিবেদনে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আমাদের কারো সাথেই যোগাযোগ করা হয়নি কিংবা আমাদের কোনো মন্তব্য নেয়নি। আমরাও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়ে বিব্রত হয়েছি।

তাছাড়া প্রকাশিত নিউজের মধ্যে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের লোগো ব্যবহার করে আমাদের ফেসবুক আইডি থেকে ছবি সংগ্রহ করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। একটি পক্ষ নিজেরাই এমন ভুয়া গল্প তৈরি করে আমাদের বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াচ্ছে। আমরা এতে সামাজিক, মানষিক ও দাফতরিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। যদি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করা হতো তাহলে আমাদের সহ আমাদের রুটি রুজির একমাত্র উৎস আজিম গ্রুপের সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকত। আমরা স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি bdstatenews.com নামক ভুয়া ওই ফেসবুক পেজটির পরিচালনাকারী মো: শাহীন নামের এক ব্যক্তি। বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে আরও গভীরভাবে তাকে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো বলে আমরা মনে করছি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘এক্সপোর্ট জোন’ নামক দোকানে আজিম গ্রুপের কোন এক কর্মকর্তা কেনাকাটার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন তবে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। পাশাপাশি ওই কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে সরাসরি সাংবাদিকদের জানালেন এতে শুধু আমাদের নয় বরং প্রিয় প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সেখানে ওই দোকান মালিকের সাথে ওই অদৃশ্য কর্মকর্তার বিবাদ সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবংকি একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা সেই বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে তবে সেই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। পাঁচ বছর যাবত ওই দোকানের সাথে আমাদের সম্পর্কের কথা বলা হলেও এই এক্সপোর্ট জোনের নাম আমরা এই ভুয়া ফেসবুক পেজের মাধ্যমেই প্রথম জানতে পেরেছি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সিকিউরিটি ইনচার্জ ও প্যাকিং ইনচার্জের সাথে এক্সপোর্ট জোনের মালিকের সাথে ব্যাংক চেক এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন করা হয়েছে। তবে কোন ব্যাংক এবং কোন মোবাইল নম্বর থেকে লেনদেন করা হয়েছে পরিষ্কার করা হয়নি প্রতিবেদনে। আদৌ বিষয়টি সত্য নয়। পাশাপাশি প্রিয় প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের একজন ব্যবস্থাপকের মন্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে তবে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এটির মাধ্যমেও প্রতিবেদনটি ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান  হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

প্রিয় প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের সুনাম রক্ষার্থে কোন ধরনের অসচ্ছ ও অবৈধ কর্মকান্ড করা হলে বিষয়টি আগেই কর্তৃপক্ষের নজরে আসতো। এই প্রতিবেদনটি সিকিউরিটি ইনচার্জের নিরাপত্তা জনিত দায়িত্ব পালন করাকে কেন্দ্র করে অবৈধ সুবিধা না নিতে পারা পক্ষ এবং ইতিপূর্বে অনৈতিক কাজের সাথে ধরা পড়ে শাস্তির আওতায় আসা পক্ষের কাজ হতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি। ইতিপূর্বে প্রোডাকশন ম্যানেজার রুহুল আমিন সিকিউরিটির হাতে চুরির দায়ে ধরা পড়ে শাস্তির আওতায় আসে। এছাড়াও চলতি বছরের ১৩ ই মে সেন্ট্রাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগের সিনিয়র সুপারভাইজার মোঃ আনিসুর রহমান দিপু ও গাইডলাইন ফর প্রোডাকশন এন্ড কোয়ালিটি বিভাগের সুপারভাইজার মোঃ রফিকুল ইসলাম সিকিউরিটির হাতে ধরা পড়ে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত রয়েছে। এরপর থেকেই সিকিউরিটি ইনচার্জ বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়ে আসছিল।  এর থেকে প্রতিহিংসা বসত আমাদের বিরুদ্ধে এসব কুৎসা রটানো হতে পারে বলে আমরা মনে করছি। সুষ্ঠু তদন্ত হলে অবশ্যই প্রকৃত ঘটনা উঠে আসবে। আমরাও সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে ওই ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ বুলেটিন ডটকম। অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত সাভারে একই নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া গেছে। একটি হচ্ছে ‘এক্সপোর্ট জোন’ সেটি সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের ইউসুফ টাওয়ারের নিচ তলায় অবস্থিত, অপরটি ‘এক্সপোর্ট জোন ২’ সেটি সাভার নিউমার্কেটের নিচ তলায় অবস্থিত। আরেকটি ‘মদিনা এক্সপোর্ট পয়েন্ট’ সেটি নিউমার্কেট সংলগ্ন চাঁপাইন রোডে অবস্থিত। তবে এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রকাশ্য ও গোপনে যোগাযোগ করে জানা যায় কোনটিতেই এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ইউসুফ টাওয়ারে অবস্থিত ‘এক্সপোর্ট জোন’ এর স্বত্বাধিকারী রেজাউল করিম জানান, গত ১০ আগস্ট বর্ণিত এমন কোন ঘটনা আমাদের দোকানে ঘটেনি।

নিউমার্কেটে অবস্থিত ‘এক্সপোর্ট জোন ২’ এর স্বত্বাধিকারী ফজলুল করিম চৌধুরী রূপক জানান, আমাদের এখানে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি কিংবা আজিম গ্রুপের গ্লোবাল ফ্যাশন গার্মেন্টস লি: এর প্যাকিং ইনচার্জ মো: ওবায়দুর রহমান ও সিকিউরিটি ইনচার্জ মো: মাজদার রহমানকে আমরা চিনিনা।

নিউমার্কেট সংলগ্ন চাঁপাইন রোডে অবস্থিত ‘মদিনা এক্সপোর্ট পয়েন্ট’ এর স্বত্বাধিকারী গুলজার হোসাইন জানান, ওবায়দুর রহমান ও মাজদার রহমান নামে কারো সাথে তার পরিচয় নেই।

বিগত ১৩ আগস্ট bdstatenews.com নামক ফেসবুক পেজে‘ আজিম গ্রুপের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ’ মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত সংবাদে স্বনামধন্য পোশাক রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠান আজিম গ্রুপের গ্লোবাল ফ্যাশন গার্মেন্টস লি: এর প্যাকিং ইনচার্জ মো: ওবায়দুর রহমান ও সিকিউরিটি ইনচার্জ মো: মাজদার রহমানকে
অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের নামে আমাদের জড়িয়ে উক্ত ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। কে বা কারা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এহেন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। তাদের প্রতিষ্ঠান’ এক্সপোর্ট জোনেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা সশরীরে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিতে রাজি আছেন। তারা বলেন, তারা সুপরিচিত ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীকে অসত্য মিথ্যা ঘটনা সমর্থন করতে পারেন না বিধায় উল্লেখিত প্রতিবেদনটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

বা বু ম/ অভিজিৎ রায়

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com