শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন “র‍্যাবের অধ্যায় শেষ, যাত্রা শুরু এসআরবির” মেসির বিদায়ের সুর, নতুনদের নিয়ে আর্জেন্টিনার নতুন অধ্যায় “মধুমতির ভাঙনে আতঙ্ক, স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন” মহাখালীতে রঙের দোকানে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ বজ্রপাতে বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাসার গ্যাস লাইনে আগুন টুঙ্গিপাড়ায় শিক্ষককে ঘিরে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে ইন্টারকে হারিয়ে রিয়ালের শুভসূচনা রূপপুর প্রকল্পে আগুন, দীর্ঘ সময়েও ফেরেনি বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট
জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

উৎসব এলেই মানুষের আর্থিক লেনদেন বাড়ে। আর সেখানেই সরব প্রতারক চক্র। আসন্ন কোরবানি ঈদকে ঘিরে রাজধানীসহ সারাদেশে জমে উঠেছে পশুর হাট। পশু বিক্রির অর্থ যেন বৃথা না যায় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখা উচিত খামারিদের। কারণ প্রতিবছরই জাল টাকা নিয়ে সর্বশ্বান্ত হতে দেখা যায় অনেক পশু বিক্রেতাকে।

সাধারণত ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট বেশি জাল হয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে টাকায় থাকা নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি, অসমতল ছাপা, জল ছাপ ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

>> ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকাসহ প্রত্যেক ধরনের নোটের সামনে ও পেছন দুদিকের ডিজাইন, মধ্যভাগের লেখা, নোটের মূল্যমান ও ৭টি সমান্তরাল সরল রেখা উঁচু নিচুভাবে মুদ্রিত থাকে। ফলে হাত দিলে একটু খসখসে মনে হয়।

>> নোটের ডান দিকে ১০০ টাকার ক্ষেত্রে তিনটি, ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে ৪টি ও এক হাজার টাকার নোটে ৫টি ছোট বৃত্তাকার ছাপ আছে যা হাতের স্পর্শে উঁচু নিচু লাগে। এ বৈশিষ্ট্য জালনোটে সংযোজন করা সম্ভব নয়।

>> জাল নোটের জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ আছে। যা ভালো করে খেয়াল করলে আলোর বিপরীতে দেখা যায়।

>> প্রত্যেক মূল্যমানের নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার ৪টি স্থানে মুদ্রিত থাকে।

এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত যা নোটের কাগজের সঙ্গে এমনভাবে সেঁটে দেওয়া থাকে যে নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সুতা কোনোভাবেই উঠানো সম্ভব নয়। নকল নোটে এতো নিখুঁতভাবে সুতাটি দিতে পারেনা।

>> ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটের উপরের ডানদিকে কোনায় ইংরেজি সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান রং পরিবর্তনশীল কালিতে মুদ্রিত থাকে।

ফলে ১০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ধীরে ধীরে নড়াচড়া করলে মূল্যমান লেখাটি সোনালি থেকে সবুজ রং ধারণ করে। একইভাবে ৫০০ লেখা লালচে থেকে সবুজাভ হয়। অন্যদিকে জাল নোটের ব্যবহৃত রং চকচক করলেও তা পরিবর্তিত হয় না।

>> প্রত্যেক প্রকার টাকার নোটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান জলছাপ হিসেবে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান প্রতিকৃতির তুলনায় উজ্জ্বল দেখায়। জাল নোটে এসব বৈশিষ্ট্য থাকে না।

>> এছাড়া স্বল্পমূল্যেও বিভিন্ন ব্রান্ডের জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন আছে। এছাড়া ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে জাল নোট সহজেই পরীক্ষা করা যায়। নকল নোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে। সূত্র: ডিএমপি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com