বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের তাতিপাড়াগ্রামে গত দুই বছর আগে মোঃ আঃমজিদ মিয়ার ছেলে মোঃ হানিফ মিয়ামানিক ঝুড়ি এলাকায় আলফা এক্সিডেন্টে মারা যায়।তিনি একটি মেয়েরেখে যান নাম জান্নাতি।এতিম এই মেয়েটিকে লালন পালন করে মৃত্যুহানিফের মা গত কয়েক দিন আগে ঐ বৃদ্ধ মহিলা পা পিছলে পড়ে গিয়েডান হাতের দুই যায়গা থেকে ভেঙ্গে যায়, অর্থের অভাবে চিকিৎসাচালাতে পারছে না।কোন মতে আমতলি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসাকরে বাড়িতে অবস্থান করছে।তার হাতের অবস্থা খুবই খারাপ এমন যেহাত ফুলে ওঠার কারনে সারা রাত চিৎকার দিয়ে কাটায়।তার জরুরিচিকিৎসার প্রয়োজন।কয়েকদিন আগে আম্পানে ঘরের চালা উড়িয়েনিয়ে যায় । এ বিষয় জান্নাতির দাদা আব্দুল মজিদ বলেন, আমি অসহায় আমারদুইটি ছেলে ছিলো বড় ছেলে গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা যায় মারা জাবারআগে অনেক টাকা ঋণী ছিলো যা আমার পক্ষে দেয়া অসম্ভব তারপরোকিছু টাকা দিছি কস্ট করে,আমি লালু পড়া বাজারে সামান্য মুরগী বিক্রিকরি,করনার কারনে মুরগীও পাইনা, সংসার চলানই কস্টের আমি কোন সরকারি সহায়তা পাইনি, আম্পানে আমার ঘড়ের চাল উড়িয়েনিয়ে জায়, আমার স্ত্রী গেলো এক মাস হয় পা পিছলে পরে গিয়ে হাতভেঙ্গে জায় টাকার অবাবে ডাক্তার দেখাতে পাড়িনি আমাকে এখন অব্দিকোনো সরকারি সহায়তা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়নি শুধু ১০কেজি চাল পেয়েছি,এতিম মেয়টিকে লেখা পড়া করানোও আমার পক্ষেঅসম্ভব
Leave a Reply