সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
‘বিএমডব্লিউ’,অপহরণ চক্রের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

‘বিএমডব্লিউ’,অপহরণ চক্রের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট-

রাজধানীর মিরপুর থেকে অভিনব কৌশলে অপহরণ ও টাকা আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের চারজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে মিরপুরের সেকশন ২ নম্বর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ বলছে,’বিএমডব্লিউ’ নামের এই অপহরণ চক্রটির প্রধান হাতিয়ার প্রেমের ‘ফাঁদ’। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে লোকজনকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা।

বুধবার (১১ অক্টোবর ) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- খাদিজা (২৭), মোঃ হাদিউল ইসলাম বাবু (৩৪), মুনমুন (৩০), ওয়াসফিয়া খানম (২৬)।

তিনি বলেন, চার জনের একটি চক্র প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীকে বাসায় ডেকে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আদায় করত। চক্রটির মাস্টারমাইন্ড ওয়াসফিয়া। সে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ‘র শিক্ষার্থী। তিনিই মূলত পরিকল্পনা সাজান।

চক্রটির টার্গেট নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, এই চক্র প্রথমে বিভিন্ন ব্যক্তিদের টার্গেট করে। যাকে টার্গেট করা হয় তার সঙ্গে অনলাইনে অথবা অফলাইনে বন্ধুত্ব করে। এরপর খুব সামান্য পরিমাণ টাকার সহযোগিতা নিয়ে পরিচিত হন। এই সুযোগে বিকাশের মাধ্যমে সহযোগিতা নেওয়ায় মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে নেয়।

এরপর সেই নম্বরে নিয়মিত যোগাযোগ করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে। এক পর্যায়ে সেই টার্গেটকে বাসায় ডেকে আনা হয়। বাসায় আসলেই চক্রের বাকি সদস্যরা মারধর করে টাকা ও মোবাইল নিয়ে ফেলে।

এসময়  মেয়ে সদস্যরা ওই ছেলের সাথে আপত্তিকর ছবি তুলে। তারপর সে ছবি স্ত্রী কিংবা পরিবারের কাছে পাঠিয়ে বড় অংকের টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। উপায়ন্তর না দেখে এবং সামাজিক মর্যাদাহানির ভয়ে তারাও টাকা দিয়ে দেয়।

এই একই কায়দায় দেড় মাস আগে এক এনজিও কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন এই চক্রের সদস্য খাদিজা। বাবা অসুস্থ বলে তিনি এই ব্যক্তির কাছ থেকে প্রথমে ২০০ টাকা নেন। এই টাকা নেওয়ার মাধ্যমেই পরিচিত হন। এরপর বিভিন্ন সময় ফোন দিয়ে সম্পর্ক গভীর করেন।

এক পর্যায়ে গতকাল তাকে বাসায় ডাকেন খাদিজা। বাসায় আগে থেকেই ছিলেন বাবু, মুনমুন, ওয়াসফিয়া। তিনি বাসায় ঢোকার সাথে সাথেই তাকে বেঁধে মারধর করে মোবাইল ও নগদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে নেন।

এরপর তার স্ত্রীকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। শেষে ১০ হাজার ২০০ টাকায় রফা করেন। টাকা নিয়ে রাতে তাকে ছেড়ে দিতে আসলে তিনি চিৎকার শুরু করেন। এসময় আশেপাশের লোক এসে তাদের আটক করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।  ওই ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com