কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কমান্ডার আবদুল মজিদ ওরফে লালাইয়া (৪৫) নিহত হয়েছেন। এসময় তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টার দিকে বালুখালী আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-১৯) এ-৮ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। গোলাগুলিতে আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য।
নিহত আব্দুল মজিদ (লালাইয়া) উখিয়ার ক্যাম্প-১৩, ব্লক-ই/৩ এর তাজনিমার খোলা এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যা মামলা রয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন- উখিয়ার ক্যাম্প-১৯ এর ব্লক-এ/৮ এর বাসিন্দা কাশেম আলীর ছেলে মোহাম্মদ তাহের (৪৫), একই ক্যাম্পের ব্লক- এ/১৭ এর বাসিন্দা মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন (২০) ও ব্লক-এ/৮ এর বাসিন্দা সলিমুল্লাহর ছেলে লিয়াকত আলী (২৫)।
এপিবিএন সূত্র জানায়, গোপন সংবাদে তাজনিমারখোলার ঘোনারপাড়ায় ক্যাম্প-১৯ এর ব্লক এ-৮ এ অভিযান চালায় পুলিশ। সকাল ১০টার দিকে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৪০-৫০ জন অস্ত্রধারী পুলিশকে রক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালায়। এসময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
প্রায় আধাঘণ্টা গোলাগুলির পর সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই এলাকা ও ঘর তল্লাশি করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন ও মিডিয়া) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, নিহত রোহিঙ্গা আবদুল মজিদ আরসার কমান্ডার। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। রোহিঙ্গাদের একটি ঘরে তাঁর গুলিবিদ্ধ মরদেহ এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি গুলি পড়ে ছিল।
পুলিশ গোলাগুলির ঘটনার পর আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালিয়ে আরসার তিনজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান তিনি।
Leave a Reply