শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
এরশাদ শিকদারের আলোচিত‘স্বর্ণকমল’ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে

এরশাদ শিকদারের আলোচিত‘স্বর্ণকমল’ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

খুলনার ‘কুখ্যাত খুনি’ হিসেবে পরিচিত এরশাদ শিকদারের ‘স্বর্ণকমল’ নামের বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সেখানে বহুতল ভবন করার পরিকল্পনা করছেন তাঁর ছেলেরা। খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে ওই বাড়ি।

এরশাদ শিকদারের বাড়িটি সব সময় এক রহস্যময় বাড়ি হিসেবে থেকে গেছে সাধারণ মানুষের কাছে। একসময়ের আলোচিত বাড়িটি ঘিরে প্রচলিত আছে নানা গল্প। ২০০৪ সালে এরশাদ শিকদারের ফাঁসি হওয়ার পর বাড়িটি দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় করতেন। খুলনার আলোচিত বাড়ি হিসেবে পরিচিত এটি। সেই বাড়ি ভাঙার খবর শুনে প্রতিদিনই লোকজন তা দেখতে আসছেন।

এরশাদ শিকদারের মেজ ছেলে কামাল শিকদার বলেন, তাঁদের বাড়িটি ১০ কাঠা জমির ওপর বানানো। বাড়ির একটি অংশ তিনতলা পুরোনো ভবন ও অন্য অংশটি দোতলা। কয়েক দিন আগে পুরোনো তিনতলা ভবনটি শ্রমিক দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এখন দোতলা ভবনটির অর্ধেকের মতো অংশ ভাঙা হচ্ছে। ওই ভাঙা অংশ কোনো ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে বহুতল ভবন তৈরির পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।

সম্প্রতি ওই বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, দোতলা ভবনের ওপরের অংশ ভাঙার কাজ করছেন শ্রমিকেরা। একসময় বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে নামফলক ছিল, সেটি খুলে ফেলা হয়েছে। বাড়ির সামনে উৎসুক লোকজন দাঁড়িয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ দেখছেন।


এরশাদ শিকদার ৬০টির বেশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রচলিত আছে। তবে ২৪ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন তাঁর দেহরক্ষী নুরে আলম। ২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাতে খুলনা জেলা কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে এরশাদ শিকদারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এরশাদ শিকদারের জন্ম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মাদারঘোনা গ্রামে। তাঁর বাবা ছিলেন বন্দে আলী শিকদার। আট ভাইবোনের মধ্যে এরশাদ শিকদার ছিলেন দ্বিতীয়। ১৯৬৭ সালে জন্মস্থান নলছিটি ছেড়ে খুলনায় চলে আসেন। ঘাঁটি গাড়েন ৫ নম্বর ঘাট এলাকায়। আশির দশকে নিয়ন্ত্রণ নেন রেলস্টেশন, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকার। এরপর তাঁর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়।

১৯৮২ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হন এরশাদ শিকদার। ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে তিনি তৎকালীন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের (বর্তমান ২১ নম্বর ওয়ার্ড) কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি আবারও দল পরিবর্তন করেন। এবার যোগ দেন আওয়ামী লীগে। সমালোচনার মুখে কিছুদিন পরই আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯৯৯ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার ছিলেন।

বা.বু,ম/ তাপস রায়

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com