শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
শত বছরের পুরণো নওগাঁ পোরশার মুসাফির খানা

শত বছরের পুরণো নওগাঁ পোরশার মুসাফির খানা

নওগাঁ প্রতিনিধি 

শত’ বছরের পুরণো নওগাঁ পোরশার মুসাফির খানা ১৯০৮ সাল থেকে এখনো বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে পথশ্রান্ত মুসাফিরদের।


মুসাফিরখানা টি তৈরী করেন পোরশার সে সময়ের জমিদার খাদেম মোহাম্মদ শাহ্। 


তৎকালীন সময়ে পথিকদের কষ্টে পথ পাড়ি দিতে হতো। রাস্তায় খাওয়ার জায়গা নাই, রাত নামলেই বিপদের আশঙ্কা। আর এ কারণেই ১৯০৮ সালে জমিদার খাদেম মোহাম্মদ পোরশায় তার মঞ্জিলের পাশেই একটা মাটির বাড়ি বানিয়ে, নাম দিলেন মুসাফির খানা।

মুসাফির খানাটি পরিচালনার জন্য তার ৮০ বিঘা জমির দলিল লিখে দিলেন মুসাফির খানার নামে যাতে মুসাফিরদের এখানে থাকা এবং খাওয়ার কোন অসুবিধা না হয়।
মুসাফির খানা ১৯৮৮ সালে আবার নতুন করে পাকা বিল্ডিং তৈরি করা হয়। দোতলা এই বিল্ডিংয়ে ৫০-৬০ জন থাকতে পারে। ১১২ বছর পরও এই মুসাফির খানা এখনো অতিথিদের জন্য খোলা, থাকা খাওয়ার জন্য কোন খরচ দিতে হয়না।


মুসাফিরখানায় থাকতে আসা মো.রতন আলি দৈনিক চিত্র পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি অন্তর আহমেদকে জানায়, আমি ব্যবসার কাজে দিনাজপুর থেকে এসেছি আশেপাশে কোন হোটেল বা থাকার যায়গা নাই। মুসাফিরখানা এসে আছি আজ এখানে আমার দ্বিতীয় দিন, এখানে থাকার কোন সমস্যা নাই। যে কেউ এসে এখানে থাকতে পারে, এখানে অনেক নিরাপদ বিনা পয়সায় থাকা ও খাওয়া যায়। এখানে দায়িত্ব যারা আছে তারাও অনেক আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেন। যা আসলে অভাবনীয়, আমি অনেক খুশি।

মুসাফির খানার খাদেম মো. মিজানুর রহমান বলেন, মুসাফিরখানায় সর্বমোট ১৬ টি রুম আছে। এই মুসাফিরখানায় দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন, তাদের জন্য এখানে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে প্রতিদিনিই গড়ে তিন-ছয় জন আসে যারা এখানে থাকেন গরিব মুসাফিরদের জন্যে এখানে খাওয়ার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একজন মুসাফির সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত থাকতে ও খেতে পারবেন। এই মুসাফিরখানায় রমজান মাসে প্রতিদিনই দেড়শ থেকে দুইশ মানুষের ইফতারির ব্যবস্থা রয়েছে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com