শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
তরমুজ হাতবদল করলেই দাম তিন থেকে চার গুণ!

তরমুজ হাতবদল করলেই দাম তিন থেকে চার গুণ!

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

 
একে চৈত্রের গরম, তার ওপরে রোজার মাস; তরমুজ এবার বাজারে এসেছে একেবারে সময়মত। চাষিদের থেকে হাতবদল হয়ে ভোক্তাপর্যায়ে তিন চার গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের জন্য  অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও ক্রেতা।  তরমুজ হাতবদল করলেই তরমুজের দাম হয়ে যাচ্ছে তিন থেকে চার গুণ।

রোজার দিনে শরীরে পানির চাহিদা পূরণে ইফতারে তরমুজ অনেকেরই পছন্দ। ফলন ভালো হওয়ায় এবার বাজারে এ ফলের সরবরাহও প্রচুর।তবে বাজারে এবারও কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ।

মানিকগঞ্জের বাজারে বেশ চড়া দামে বিক্রয় করা হচ্ছে তরমুজ। মানিকগঞ্জে শহরের তরমুজের আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়, অন্য বছরের তুলনায় এবছর দাম আরো বেশি। পাইকারি বিক্রয় করা হচ্ছে সর্বনিম্ন প্রতি পিচ তরমুজ ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা। পাইকাররা পিচ হিসেবে তরমুজ কিনলেও খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজি হিসেবে। মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে শুরু করে ও গ্রামের বিভিন্ন বাজারে তরমুজের কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০  টাকা।
সাধারণত রোজার সময় ফলের কদর বাড়ে। ফল ছাড়া ইফতার যেন কল্পনাই করা যায় না। এদিকে গ্রীষ্মকাল শুরু হলেও পরিপক্ব না হওয়ায় বাজারে এখনও আসেনি চাহিদা অনুযায়ী মৌসুমী ফল। তাই বাজারে থাকা গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজের ওপরই এখন ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। আর এ সুযোগটিকে কাজে লাগাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তারা তরমুজের দাম হাঁকাচ্ছেন ইচ্ছেমতো। এই মধ্য মার্চেও যে তরমুজের কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ছিল এখন তা বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। ফলে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে রমজানে দাম সহনশীল রাখার ঘোষণা দেওয়া হলেও রোজা শুরুর পর সেই প্রতিশ্রুতি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

পাইকারি ব্যবসায়িরা জানান, আমরা পিসপ্রতি তরমুজ বিক্রি করলেও খুচরা বাজারে কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। এটা উচিত না, এতে মানুষকে ঠকানো হচ্ছে। আর বাজার ঠিক রাখতে মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের তৎপরতা আরো বাড়ানো উচিতন বলে মনে করেন তারা।
হঠাৎ করেই মানিকগঞ্জে তরমুজের দাম বেড়ে গেছে! মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি তরমুজের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে যেই তরমুজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি। এখন সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি।
ফলে, মানিকগঞ্জের তাপমাত্রা যেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তেমনি বাড়ছে তরমুজের দাম। প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস করছে এ অঞ্চলের মানুষ। দাবদাহ থেকে সামান্য পরিত্রাণ পেতে ইফতারে ধর্মপ্রাণ রোজাদাররা তরমুজই পছন্দ করেন। কিন্তু আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে এখন আর তরমুজের স্বাদ নিতে পারছেন না নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা। এরইমধ্যে তরমুজের দাম সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে- সিন্ডিকেট করে মানিকগঞ্জে  তরমুজ ব্যবসায়ীরা মনমতো তরমুজের দাম বাড়িয়েছেন। প্রচুর সরবরাহ থাকলেও সংকটের কথা বলে তরমুজের দাম বেশি নিচ্ছেন।

এদিকে, বাজার ঘুরে দেখা গেছে- সব ধরনের তরমুজের দামই আকাশ চুম্বি। প্রতিটি মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকায়। আকার একটু বড় হলেই তা ৬/৭শ’ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় অনেক বিক্রেতারা তরমুজ চার থেকে ৫ টুকরো করে কেজি দরে তা বিক্রি করছেন। দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে আবার একটা বড় তরমুজ কিনে দু’জন ক্রেতা সমান করে ভাগ করেও নিচ্ছেন। যে তরমুজটি মোটামুটি টাটকা সেই তরমুজটি ৬০ টাকা কেজির নিচে রাখা হচ্ছে না। আর যেই তরমুজটি এক বা দুই সপ্তাহ আগের আনা সেগুলো ৪০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রির কারণ জানতে চাইলে একাধিক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, তরমুজ পচনশীল ফল। বেশীদিন সংরক্ষণ করে রাখা যায় না। পাইকারী ব্যবসায়ীরা বড় তরমুজের ভেতর ছোট তরমুজ ঢুকিয়ে দিয়ে বেশী দামে বিক্রি করে। এছাড়া আড়ৎদারদের কমিশন ও পরিবহন খরচতো আছেই। সেই দাম ওঠাতে গিয়ে তরমুজ একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com