সাভার প্রতিনিধি
ঢাকার ধামরাইয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া তদবিরের কাগজ জমা দেওয়ার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে রবিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়ালীপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী শামীম বাদি হয়ে রবিবার রাতে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারা হলেন, ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের জালসা গ্রামের হামিদুল ইসলাম, একই ইউনিয়নের হাতকোড়া গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম ও বালিয়া ইউনিয়নের বাইচাইল গ্রামের ময়ছের আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি একটি সেচ পাম্পের লাইনের জন্য হামিদুল ও কাইয়ুম নামের দুই ব্যক্তি ৭০ হাজার টাকা দেন পল্লি বিদ্যুতের কর্মচারী জসিমের কাছে। জসিম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে কুশুরার ডিজিএম প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের কাছে একটি তদবিরের কাগজ জমা দেয়।
ইউএনওর স্বাক্ষর নিয়ে সন্দেহ হলে আগের কয়েকটি ফাইলের স্বাক্ষরের সাথে ইউএনওর স্বাক্ষর যাচাই করেন। যাচাই শেষে সন্দেহ আরও বেগবান হয়। পরে সুপারিশ পত্রটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে পাঠালে তিনি ইউএনওর কাছে গিয়ে জমা দেন। জালিয়াতি শনাক্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী শামীম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
কুশুরা জোনাল পল্লি বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, সুপারিশ পত্রটিতে ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল। তবে সেটি পরে ধরা পড়ে।
ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অসীম বিশ্বাস বলেন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে মামলা দায়ের হলে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন, সেচ পাম্পের জন্য বিদ্যুতের মিটারের আবেদনের সাথে আমার স্বাক্ষর জাল করে সুপারিশ পত্র জমা দেয় আসামিরা। পরে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
Leave a Reply