গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
আব্দুর রাফিউল আলম একজন ‘মানবিক ইউএনও’ হিসেবে পরিচিতি নিয়েই গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে বৃহস্পতিবার ৩১ মার্চ বিদায় নিলেন ।
যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই নিজ গুণে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি। উপজেলাবাসী একজন সজ্জন, কর্মঠ, জনবান্ধব ও দক্ষ অফিসারকে হারিয়ে আজ বেদনাবিধুর।
গত ১৬ মাস গাইবান্ধা সদর উপজেলার মানুষকে সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এ সময়ে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা দিয়েছেন। করোনা মহামারীর মধ্যেও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি । করোনার প্রাদুর্ভাবে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর ছিল তার সজাগ দৃষ্টি। তার প্রশাসনিক এলাকায় জনস্বার্থবিরোধী কোন ঘটনা তার নজরে এলে কালবিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক সরেজমিনে গিয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে তা দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করেছেন। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যে মূলধর্ম কাজের মধ্যদিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে তিনি সক্ষম হয়েছেন।
প্রেসক্লাব গাইবন্ধার সভাপতি খালেদ হোসেন বলেন, তিনি জনবান্ধব মানুষ ছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মন জয় করেছিলেন। নিম্নশ্রেণি থেকে উচ্চপদস্থ লোক খুব সহজে তার কাছে যেত পারত। কোন ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে যেতেন।
গাইবান্ধা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু বলেন, মানবিক, সৎ ও সাহসী মানুষ রাফিউল আলম। তিনি সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ সারোয়ার কবির বলেন, টাকার জন্য নয়, তিনি মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য দৌঁড়াতেন। তার কর্মের কথা উপজেলাবাসী মনে রাখবে। প্রত্যেকটি মানুষের কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনতেন ও সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতেন। সারাক্ষণ উপজেলার উন্নয়ন নিয়ে ভাবতেন। তিনি সৎ, উদ্যামী ও কর্মঠ ছিলেন।
Leave a Reply