সেখান থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সেখানে দীর্ঘদিন থেকে ময়লা-আবর্জনা ফেলে আসছে। পথচারীদের নাকে হাত দিয়ে বা কাপড় নাকে চেপেই চলাফেরা চলছে। উৎকট দুর্গন্ধ সহ্য করেই ওই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে ময়লার স্তুপের পাশেই এমকেসিএম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলে শিক্ষার্থীদের যাওয়া আসার পথে পরে এই ময়লার স্তুপ শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধ সহ্য করেই স্কুলের যেতে হচ্ছে। সেসাথে পাশেই মসজিদে নামাযে যাওয়ার সময়ে লোকজন নাকে হাত দিয়ে চলাফেরা করছে কারও পক্ষে নিঃশ্বাস নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এটি যেনো প্রতিদিনের চিত্র।
এতে করে সেখানে যেমন মশা, মাছির উপদ্রব বাড়ছে, তেমনি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলে আসলেও পৌর কতৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেয়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পথচারীদের চলাফেরায় ও শিক্ষার্থীদের চলাফেরায় গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা ঘেঁষে দিনের পর দিন ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ততই বাড়ছে।
অন্যদিকে,বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনাও সেখানে ফেলা হচ্ছে। ওইসব ময়লা-আবর্জনার অধিকাংশই পচনশীল পদার্থ। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই এগুলো পঁচে গিয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে। উৎকট গন্ধের কারণে ওই রাস্তার পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়। নাকে হাত দিয়ে বা নাক কাপড় চেপে ধরে চলাচল করতে হচ্ছে।
Leave a Reply