রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
নওগাঁর মহাদেবপুরে মাদ্রাসার টয়লেট থেকে বই উদ্ধারের ঘটনা সঠিক নয়

নওগাঁর মহাদেবপুরে মাদ্রাসার টয়লেট থেকে বই উদ্ধারের ঘটনা সঠিক নয়


 মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ


নওগাঁর মহাদেবপুরে মাদ্রাসার টয়লেটের ছাদ থেকে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দকরা সরকারি নতুন বই উদ্ধারের ঘটনা সঠিক নয়। 


ভোটের সময় সৃষ্ট শত্রুতার জের ধরে একজন ইউপি সদস্য এই গুজব ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বরং ১২০ বছরের পুরনো এই মাদ্রাসাটি এ পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনই অনুদান না পেয়ে শিক্ষক কর্মচারিরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তার উপর তাদের উপর গুরুতর মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।


সরেজমিনে বুধবার ২৩ মার্চ দুপুরে  উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর দাখিল মাদ্রাসায় গেলে সহকারি সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুর রউফ জানান, গত ১ মার্চ দুপুরে গোয়েন্দা বিভাগের একজন কর্মকর্তা মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে অভিযোগ করেন যে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকরা বই বিতরণ না করে খোলা বাজারে বিক্রি করার অসৎ উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার টয়লেটের ছাদে রাখা হয়েছে। 


ইউএনওর নির্দেশে বিকেলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও একাডেমিক সুপারভাইজার মাদ্রাসা পরিদর্শন করে বইয়ের স্টক সঠিক পান। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে পরদিন খবর বের হয় যে, বইগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে করোনা কালিন মাদ্রাসা ছুটি থাকায় বইগুলো বিতরণ করা যায়নি। আর টয়লেটটি মাদ্রাসার বাইরে নয়, বরং সেটি অফিস ঘরের ভিতরেই ঘর সংলগ্ন। অফিস ঘরের টিনের ছাউনির নিচে টয়লেটের উপর বাঁশের মাচান ও মাটি দিয়ে জলছাদ বানানো হয়েছে। স্থান সংকুলানের অভাবে তার উপর বইগুলো রাখা হয়েছিল।


জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, বইগুলো উদ্ধার করা হয়নি। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হয়নি। কারণ কোন কারণে এবছরের বই বিতরণ করা না গেলে বা বই বেঁচে গেলে সেগুলো অফিসে ফেরৎ দিতে হয়না। সেগুলো পরের বছর বিতরণের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই রাখার বিধান রয়েছে।


উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ফরিদুল ইসলামও একই কথা জানান। তিনি জানান, এবিষয়ে প্রকাশিক খবর সঠিক নয়। অসৎ উদ্দেশ্যে টয়লেটের ছাদে বই রাখার বিষয়টিও সঠিক নয়।


মাদ্রাসার সহকারি সুপার জানান, গত ইউপি নির্বাচনের সময় সরকারি দলের একজন মেম্বার প্রার্থী আব্দুস সাত্তার মাদ্রাসার সামনে তার নির্বাচনী অফিস করেন। মাদ্রাসার নৈশ প্রহরি এতে বাধা দিলেও তিনি তা মানেন নি। ভোটের আগে তার অফিসটি কে বা কারা ভাংচুর করলে মেম্বার প্রার্থী এ ব্যাপারে নৈশ প্রহরির ছেলেকে দোষারুপ করেন। এরই জের ধরে তিনি এই মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। মেম্বার নির্বাচিত হবার পর তিনি মাদ্রাসার গাছ কাটাতেও বাধা দেন।


জানতে চাইলে মেম্বার আব্দুস সাত্তার বলেন, ২০২২ সালের বই বিতরণে আইনে দোষ না হলে তার কোন আপত্তি নাই। নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের বিষয় তিনি মনে রাখেননি বলেও জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com