মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
দুর্গাপুরে বিলুপ্তি প্রায় বাঁশ ও বেত শিল্প

দুর্গাপুরে বিলুপ্তি প্রায় বাঁশ ও বেত শিল্প


দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের তৈরি কুটির শিল্প। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির প্লাস্টিকের কদর বাড়ায়  বিলুপ্তি প্রায়  বাঁশ ও বেত শিল্প।  প্রকৃতপক্ষে বাঁশ বেতের স্থান অনেকটাই প্লাস্টিক সামগ্রী দখল করে নিয়েছে। 

এক সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে তৈরি হতো বাঁশ ও বেতের অনেকরকম পণ্য সামগ্রী। যার মধ্যে রয়েছে -কুলা, বেদেপাটির ন্যায় ধান রাখা চাঁচ/চাটাই, হাঁস-মুরগির খাঁচা, ঢাকনা, চালনি, খাঁচা, মোড়া বেতের ধামা, চেয়ার, টেবিল, দোলনা, খারাই, পাখা, ঘুনি, ডালা ও ঝুড়ি ইত্যাদি। অনেকে জীবিকাও নির্বাহ করতেন বাঁশ ও বেতের পণ্য বিক্রি করে। এছাড়াও দরিদ্র পরিবারের অনেকের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন ছিলো বাঁশ ও বেত । কিন্তু এখন এই হস্তশিল্পটি উপার্জনের পেশা হিসেবে বেঁছে নেওয়া কঠিন।


সরেজমিনে গিয়ে শনিবার উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের নোওয়াপাড়া গ্রামের মো.সুদর আলী নামের ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাঁশের বেত দিয়ে খাঁছা তৈরি করছে। প্রতিনিধি  কে জানায়,আগেও তিনি বাঁশ দিয়ে খাঁচা, কুলা, মোড়া বেতের ধামা,খাট, বই রাখার তাক, ঘুনি, ডালা ও ঝুড়ি সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করে বাজারেও বিক্রি করে টাকা উপার্জন করতো তবে সময়ের সাথে সাথে বয়স ৯০ পার হয়ে গেলেও গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের তৈরি কুটির শিল্প যেনো থাকে ছাড়ে না। আগের মতো ভালো কাজ না পারলেও সারাদিন এইসব তৈরিতে সময় কাটান তিনি।

তিনি আরও জানান, এ এলাকায় অনেকেই এই শিল্পে কাজ করতো এবং পরিবারের আয় হতো কিন্তু বর্তমানে তা হারিয়ে গেছে। একসময় গ্রামীণ বাজারে বাঁশের তৈরি পণ্যের বেশ চাহিদা থাকলেও বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্যের কারণে এ শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে। আগের মতো এ শিল্পের এখন আর তেমন চাহিদা নেই। তাছাড়া বাঁশের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কুটির শিল্প হারিয়ে গেছে। যার কারণে অনেকেই তাদের পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য পেশায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে সরকারিভাবে সুযোগ সুবিধা পেলে আবার ফিরে আসবে হারনো শিল্প। বৃদ্ধি পাবে গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য বাঁশ ও বেতের তৈরি হস্ত ও কুটির শিল্পের কাজ এমনটায় আশা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com