বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
গাইবান্ধায় এক অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

গাইবান্ধায় এক অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ


শেখ মো. আতিকুর রহমান আতিক, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম, ফুলছড়ি উপজেলার সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ ইমু ও অফিস সহায়ক মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

 ঠিকাদারকে হয়রানীসহ অর্থ আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগ ও সহযোগিতা করায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর এলজিইডির ঠিকাদার রাশেদ খান মেনন এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে ফুলছড়ি উপজেলা প্রশাসনিক ভবন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ কোটেশন দরপত্রের মাধ্যমে ফুলছড়ি উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ ইমু ও অফিস সহায়ক মিলন হোসেন যোগসাজশ করে তাঁর (রাশেদ খান) স্বাক্ষর জাল করে চূড়ান্ত বিল উত্তোলন করেন।

বিভিন্ন সময় জরাজীর্ণ সেতু ও কালভার্ট নিলামের বিক্রয়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না করে সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামের সহযোগিতায় মিলন হোসেন আত্মসাত করেন। এক সহকারী উপজেলা প্রকৌশলীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভূয়া বিল ও ভাউচারের মাধ্যমে নিজ নামে অ্যাডভাইজ লিখে নিয়ে বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাত করেন মিলন হোসেন। এর প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের ২০১৯ সালের ১২ মে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ ২০১৮ মোতাবেক বিভাগীয় মামলার অভিযোগ গঠন করে।


অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, চাহিদা মোতাবেক অর্থ প্রদান না করলে ঠিকাদারকে টাকা প্রদান না করে নিজের কাছে রাখেন ও পরবর্তীতে ফাইল লুকিয়ে রেখে ঠিকাদারকে হয়রানী করেন। 

বিভিন্ন সময়ে সাবেক উপজেলা প্রকৌশলীদের সহযোগিতায় অনিয়মকৃত কিছু ফাইল ও নথিপত্র অফিস থেকে অপসারণ করেন। যা বিগত সিভিল অডিট চলাকালীন সময়ে ফাইলগুলো অডিট কমিটিকে দেখাতে পারেননি। জানা মতে, ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অডিট কমিটি ১০০ এর অধিক আপত্তি প্রেরণ করেন যাহা তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

 দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে কর্মরত থাকায় তিনি বিভিন্ন সময়ে অত্র কার্যালয়ের উপজেলা প্রকৌশলী, উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্য সহকারীদের ভূয়া বিল ভাউচারে স্বাক্ষরের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন ।এবং  স্বাক্ষর না করলে খারাপ আচরণ করেন। মিলন হোসেন ২০ বছর ধরে একই কর্মস্থলে থেকে এসব করেছেন।

 তারপরও অজ্ঞাত কারণে মিলন হোসেন বহাল তবিয়তে কর্মরত আছেন।ঠিকাদার রাশেদ খান মেনন বলেন, অভিযোগ দায়েরের আড়াই মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ফলে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন। জানতে চাইলে মিলন হোসেনের (বর্তমানে বগুড়ায় কর্মরত) মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। সাবেক ফুলছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী (বর্তমানে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত) ইমতিয়াজ আহমেদ ইমু মুঠোফোনে বলেন, আমি দায়িত্ব পালনকালে কোনো অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি।


 গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলাম বলেন, ফুলছড়িতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে নিলামে ব্রীজ-কালভার্ট বিক্রিসহ অনিয়মের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com