বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রাণীশংকৈলে হটাৎ ইট বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে-বিপাকে গ্রাহকেরা

রাণীশংকৈলে হটাৎ ইট বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে-বিপাকে গ্রাহকেরা


মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল:

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে মাঘের দুইদিনের মাঝারি বৃষ্টিপাতে উপজেলার ২৮ টি ইটভাটায় অনেক কাঁচা ইট নষ্ট হতে দেখে যায়। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে জানান ভাটা মালিকেরা । তিন চারদিন পরে ওই ভাটাগুলোতে আবার পুরোদমে ইট উৎপাদন শুরু হয়।

 যেখানে ১০/১২ দিন আগে প্রতি হাজার ইটের দাম ছিলো ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা। আর এই বৃষ্টির অজুহাতে  লোকসান পুষিয়ে নিতে ভাটা মালিকেরা প্রতি হাজারে ইট বিক্রি করছেন ১০ হাজার টাকায়। 


শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কয়েকটি ভাটায় সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য চিত্র পাওয়া যায়। এতে চরম বিপাকে পড়ছেন স্থানীয় ঠিকাদার ও সাধারণ গ্রাহকেরা।পৌরশহরের ইট গ্রাহক রব্বানী পারভেজ বলেন, কয়েকদিন আগেই ২ হাজার ইট কিনেছেন ১৭ হাজার টাকায়। এখন ইট কিনতে গিয়ে দেখি প্রতি হাজার ইট ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত টাকায় ইট কিনতে হিমহিম খাচ্ছি।

নেকরদ চন্দনচহট এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার বাড়ির কাজে কয়েকদিন আগ থেকে ইট কেনার কথা ভাবছিলাম । গতকাল ২ হাজার ইট ২০ হাজার টাকায় কিনেছি। ইটের মূল্য নির্ধারণে নেই কোনো সরকারি নীতিমালা। ইটভাটা মালিক সমিতিরও নেই কোনো পদক্ষেপ বা নির্দিষ্ট মূল্য তালিকা। তাই ইচ্ছেমতো দামে ভাটা মালিকেরা ইট বিক্রি করছেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন। 


এম.আর.বি ভাটার ম্যনেজার মঞ্জুর আলম বলেন, এবার বৃষ্টিতে ভাটার ব্যপক ক্ষতি হওয়ায় তা পুষিয়ে নিতে আমরা ইটের দাম বাড়িয়েছি।আরেক ভাটা মালিক রোওশন আলী বলেন, বৃষ্টির আগে প্রতি গাড়ি ১৮ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। এখন ২০ হাজার টাকায় বিক্রি দিচ্ছি।


এ ব্যাপারে উপজেলা ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আহম্মদ হোসেন বিপ্লব বলেন, ইট বিক্রির মূল্য নির্ধারণের ব্যাপারে আমাদের সমিতির কোন নীতিমালা নেই। ভাটা ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার লাভ লোকসান ভেবে যে যার মতো করে দাম নিয়ে ইট বিক্রি করছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, ইটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আমি শুনেছি। এই দাম বৃদ্ধির নিয়ম নীতির সম্পর্কে আমার কিছু জানা নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com