নেকরদ চন্দনচহট এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার বাড়ির কাজে কয়েকদিন আগ থেকে ইট কেনার কথা ভাবছিলাম । গতকাল ২ হাজার ইট ২০ হাজার টাকায় কিনেছি। ইটের মূল্য নির্ধারণে নেই কোনো সরকারি নীতিমালা। ইটভাটা মালিক সমিতিরও নেই কোনো পদক্ষেপ বা নির্দিষ্ট মূল্য তালিকা। তাই ইচ্ছেমতো দামে ভাটা মালিকেরা ইট বিক্রি করছেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন।
এম.আর.বি ভাটার ম্যনেজার মঞ্জুর আলম বলেন, এবার বৃষ্টিতে ভাটার ব্যপক ক্ষতি হওয়ায় তা পুষিয়ে নিতে আমরা ইটের দাম বাড়িয়েছি।আরেক ভাটা মালিক রোওশন আলী বলেন, বৃষ্টির আগে প্রতি গাড়ি ১৮ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। এখন ২০ হাজার টাকায় বিক্রি দিচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আহম্মদ হোসেন বিপ্লব বলেন, ইট বিক্রির মূল্য নির্ধারণের ব্যাপারে আমাদের সমিতির কোন নীতিমালা নেই। ভাটা ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার লাভ লোকসান ভেবে যে যার মতো করে দাম নিয়ে ইট বিক্রি করছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, ইটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আমি শুনেছি। এই দাম বৃদ্ধির নিয়ম নীতির সম্পর্কে আমার কিছু জানা নাই।
Leave a Reply