কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৮ নং গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম দলিরাম বৈদপাড়া গ্রামের মৃত তহির উদ্দিনের ছেলে মজনু মিয়ার কবলা খরিত মূলে কেনা সম্পতি মৌজাঃ- পশ্চিম দলিরাম, জে এল নং – ৫২, সিট নং- ০৩, খতিয়ান- ৫৩৭, দাগ নং ৪৬০৬, জমির পরিমাণ ৩৩ শতক জমি যা তিনি ২৯/০১/৯৬ সালে ক্রয় করেন এবং তখন থেকে ভোগ দখল করে আসছেন।
কিন্তু সে জমি জোর পূর্বক ভাবে দখলের পায়তারা করছে এরশাদুল হক (৫০) পিতাঃ মৃত্যু হেছাদ্দি মামুদ। গ্রামঃ পশ্চিম দলিরাম বৈদপাড়া, গাড়াগ্রাম, কিশোরগঞ্জ,নীলফামারী। এবং তাকে সহযোগিতা করছে ঐ এলাকার কিছু দুঃসকৃতিকারী।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর বিকাল ৪ টার সময় বিবাদী এরশাদুল(৫০),আলিফ উদ্দিনের ছেলে ছই মামুদ (৪৮), ছই মামুদের স্ত্রী তহমিনা বেগম (৩৮), ছই মামুদের মেয়ে শাহিদা বেগম (২৮), মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে সাইফুল (৪৫),সাইফুলের স্ত্রী ছারপি বেগম (৩৬),মনির উদ্দিনের স্ত্রী মারুফা বেগম (২০) সকলে একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনি জনতা দলবদ্ধ হয়ে মৃত তহির উদ্দিনের ছেলে মজনু মিয়ার (৬৪) ক্রয় কৃত ভোগ দখলিও সম্পত্তি, যা তিনি গত ২৬ বছর থেকে ভোগ দখল করে আসছেন। যার দাগ নং- ৪৬০৬ জমির পরিমাণ ৩৩ শতক। তার পার্শ্ববর্তী জমিতে এরশাদুল নামের এক ব্যাক্তি পাকা বাড়ি করার প্রস্তুতি নিলে মজনু মিয়া তাকে সঠিক মাফ দিয়ে বাসার কাজ করার জন্য বলেন, তিনি মেনেও নেন।
কিন্তু এরশাদুল রাতের আধাঁরে কিছু দুঃসকৃতি কারী ব্যাক্তিকে দিয়ে পাকা ওয়াল তৈরি করে। মজনু মিয়া ও তার মেয়ে শারমিনা আক্তার পরের দিন তাদের নিষেধ করতে গেলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অত পেতে থাকা তার লোকজন হঠাৎ করে এসে মজনু মিয়া ও তার মেয়েকে এলো পাথারি মারধর শুরু করে। এমত অবস্থায় শারমিনের ডাক চিৎকার করলে আশেপাশের মানুষ দৌড়ে এসে তাদের হাতে থেকে শারমিনকে উদ্ধার করে। তার অবস্থা আশংকা জনক হলে তাকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে।
তার পার্শবর্তী যেখানে মৃত হেছাদ্দি মামুদের ছেলে এরশাদুল বাড়ী করছে তা তার জমি নয়। তার কাছে কোন জমির কাগজপত্রতি নাই।
কামাল উদ্দিন সরকার নামে এক ব্যাক্তি মসজিদ নির্মাণের জন্য ওই জমিটি ১৯৮০ সালে ওয়াকফ্ করে যান। কিন্তু সেখানে মসজিদ নির্মাণ না করে বাড়ি নির্মাণ করছে। তাই সে মজনু মিয়াকে দমন করতে তার আশেপাশের লোক দ্বারা এ সব করছে। তার সাথে যারা ছিল তারা এরশাদুলের কিছুই হয় না। বলা চলে এরশাদুল সন্ত্রাসী ভারা করে এনে এ সব কর্মকান্ড করছে।
এরশাদুল তার বাড়ীর জমি সঠিক করে মেপে দেখার জন্য আমিন এনে জমিটি মাফ দেন তাতে তিনি যে ওয়াল নির্মাণ করছে তা সম্পূর্ণ মজনু মিয়ার জমির উপর পড়েছে। এখন এরশাদুল জমি ছেড়ে না দিয়ে তার পার্শ্ববর্তী লোকদের টাকার বিনিময়ে মজনু মিয়ার বিপরিদে একত্রিত করে মজনু মিয়া, তার মেয়ে ও পরিবারের সকলকে অন্যায়ভাবে মারঢাং করে জমি দখলের পায়তারা করছে।
পরে মজনু মিয়া উপায় অন্তর না পেয়ে নিজে বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় ৯ (নয়) জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়ালের সাথে কথা হলে তিনা বলেন, অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Leave a Reply