বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতির বিক্ষোভ

গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতির বিক্ষোভ

 শেখ মো: আতিকুর রহমান আতিক, গাইবান্ধা :

গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে।

 বিদ্যুৎ বিভাগের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে ৫ দফা দাবি আদায়ে  রবিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (গানাসাস) এর সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
 সমাবেশ শেষে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি গাইবান্ধার জেলা প্রশাসকের কাছে পেশ করা হয়। এরআগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।সংগঠনের সভাপতি আসাদুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের উপদেষ্টা মাসুদার রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি দেবল কুমার সরকার, আব্দুল হালিম, মাহাবুবর রহমান সুমন, মাহাবুর মিয়া প্রমুখ।বক্তারা বলেন, ২০১৪-২০১৫ ও ২০১৬ সালে পিডিবির উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের তদন্তে প্রমাণিত হয় যে, ওই তিন বছরে ৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের উপর চাপানো হয়েছে। ঐ অতিরিক্ত বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তদন্ত কমিটির সুপারিশ করা  ছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়ন না করায় বর্তমান সময়েও গ্রাহকদের প্রতি অতিরিক্ত বিল করার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।  তাই ঐ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবি জানান   বক্তারা।তারা আরও বলেন, ২০১১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি টাকার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। ওই সমস্ত বিল সংশোধনের নামে কর্তৃপক্ষ নানা টালবাহানা করে সময়ক্ষেপন করছেন। বিদ্যুৎ গ্রাহক এবং সেচ মালিকদের উপর অতিরিক্ত বিল চাপিয়ে দিয়ে তাদের উপর মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করে অনেককে বাড়ি ছাড়া করেছে।এ সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন তারা।বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত বিল সংশোধন না করে সেচ পাম্প মালিকদের উপর মামলা দিয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদ করায় বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে এবং অনেককে নতুন করে সেচ পাম্প চালাতে দিচ্ছে না। বিল সংশোধনের জন্য হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও বিল অনাদায়ের নামে সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ হয়রানীমূলক মামলা দেয়া অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সময়মত সেচ পাম্প মালিকরা সংযোগ না পাওয়ায় বোরো সেচ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে জেলার কৃষি উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে।সমাবেশ শেষে গাইবান্ধা বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতির একটি প্রতিনিধি দল গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com