শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানসিক হাসপাতালে পাঠালেন এস,পি

মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানসিক হাসপাতালে পাঠালেন এস,পি

শেখ মো: আতিকুর রহমান আতিক, গাইবান্ধা :

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়াকে (২৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠালেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকালে তাকে একটি কার গাড়ীতে পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের উদ্যোগে জেলা পুলিশ এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়া উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

এ উপলক্ষে ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪টায় জেলা পুলিশের আয়োজনে সাদুল্লাপুর থানা চত্বরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম,সাদুল্লাপুর থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায়, গাইবান্ধা ট্রাফিক পুলিশের (প্রশাসন) পরিদর্শক নূর আলম সিদ্দিক, প্রমূখ।

এসময় পুলিশ সুপার বলেন, তৌহিদুল মিয়া গত ৫ বছর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় শহরে ঘোরাফেরা করতো। তার দরিদ্র পিতা রফিকুল ইসলাম অর্থাভাবে তৌহিদের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। বিষয়টি আমি জানতে পেরে তার চিকিৎসার এই সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁকে এ সহযোগিতা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত. এর আগেও বিগত ২০২০ সালে ১৪ জুন সেলিম মিয়া নামে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পাবনায় মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ।
সেখানে ৪ মাস চিকিৎসার পর তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর সেলিম কর্মহীন হয়ে পড়েন। পরে জেলা পুলিশ তাঁকে মালামালসহ একটি গালামাল দোকানঘর ও নগদ টাকা প্রদান করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com