সোহেল রানা,সাভার(ঢাকা):
হ্যাঁ, বলছিলাম সাভার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান এর কথা। আমার দেখা ও অনুধবন বলছে লক্ষ্যে পৌঁছাতে এই মানুষটি সব সময় স্বীকৃত। এটা সত্য। কেউ কিভাবে সফল হয় তা যদি দেখতে চান, তাহলে প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান এর ডেইলি রুটিন দেখুন।
বিশেষ করে তরুণ সমাজ কে বলছি আপনি একটি মানচিত্র তৈরি করতে পারেন যুদ্ধের জন্য কিংবা জীবনের পরিকল্পনার জন্য। কিন্তু যখন থেকে কাজ শুরু করবেন দেখবেন আপনি নিজ থেকেই অধঃপতিত হচ্ছেন। আপনি যদি অন্ধকারে নিজেকে প্রতারিত করেন, আপনি তা টের পাবেন দিনের উজ্জ্বল আলোয়। এটা পরিলক্ষিত হয়েছে অশুভ অপচেষ্টা কারীদের অনুসরণকারী আর অধ্যক্ষ প্রফেসর ইমরুল হাসান এর শুভ অনুসারীদের কর্মে । উজ্জ্বলতার পিছনে এটির একটি ভালো উদাহরণ, কারণ এর সবটুকুই হচ্ছে প্রাত্যহিক প্রস্তুতি নিয়ে।
সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে একটি দাবি জানিয়ে আসছিল যদিও সে দাবি পুরোপুরি পূরণ হয়নি তবে আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হয়নি তাদের। পূরণ হয়েছে এক-তৃতীয়াংশ। এর পেছনে অন্য রকমের সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছিল সেই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে সরল পথ দেখিয়েছেন অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান।
প্রথমত সাভারের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত সাভার কলেজে মূলত সরকারি কার্যক্রম এখনো চালু হয়নি। অন্যদিকে কলেজের নিজস্ব জমি থাকতেও দূর-দূরান্ত থেকে এসে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের থাকার(আবাসন) জায়গা টি এখনো তৈরি হয়নি। ঝরেপড়া রোধ করতে এটাই ছিল শিক্ষার্থীদের দাবি। এই দাবির প্রেক্ষিতে দ্বিমুখী ভাব তৈরি হয়েছিল শিক্ষার্থী ও সুবিধাভোগী সমাজের মধ্যে। এটির সহজ সমীকরণ ও সরল পথে একটি ঐতিহাসিক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছেন সাভার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান। তার এই ঐতিহাসিক সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা রেখেছেন সভ্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ছাত্রনেতা ও জনপ্রতিনিধি সহ ঘুনে খাওয়া সমাজে উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বগণ। হয়তো তার সহযোগীরাও তাকে অনুসরণ করে তার কাজকে ভালোবেসে যুক্ত হয়েছেন সমাজ সংস্করণে।
সব সময় আমাদের মনে রাখা উচিত সমালোচকরা গণনা করে না, দর্শকও লক্ষ করেনা কিভাবে শক্তিশালী মানুষটি হোঁচট খেলো, কিংবা সেখানে এরচেয়েও ভালো কাজ বা কার্যকলাপ হয়ে থাকে । কৃতিত্ব পেয়ে থাকে সেই লোকটা, যিনি সত্যিকারভাবে এই রঙ্গভূমিতে বিচরণ করেন; যার মুখ নষ্ট হয়ে আছে ধুলো, ঘামে এবং রক্তে; যে বীরের মতো সংগ্রাম করে; এবং যে ভুল করে বার বার; কে জানে প্রবল আগ্রহে, গভীর অনুরক্তি, এবং নিজেকে ব্যয় করে যোগ্য উদ্দেশ্য, কে সেরা, তা জানা যায় মহান কিছু অর্জনের জয়জয়কারে। এবং কে, সবথেকে খারাপ, যদি সে ব্যর্থ হয়, শেষ মুহূর্তে যখন প্রবল সাহস নিয়ে ব্যর্থ হয়, তাই তার আত্মা কখনোই সমাহিত হয় না এবং ভীতু ও কাপুরুষদের সাথে, যারা জয় পরাজয় সম্পর্কে জানেনা। এর দিক প্রদর্শক হিসেবে, প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান একজন কার্যকর নেতাই নয় বরং তিনি তার ভূমিকায় সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন নানা মহলে।
সাভার সরকারি কলেজের তারাপুর ক্যাম্পাসের নিজস্ব জমি উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় একমাত্র তিনিই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেছেন বলে মনে করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী একজন ছাত্রলীগ নেতা। তিনি অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইমরুল হাসান এর প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের প্রতি। প্রশাসনের প্রতিও অভিবাদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হে তরুণ সমাজ এজন্য আপনার লক্ষে পৌঁছাতে অধ্যক্ষের মত যুদ্ধ উত্তম।
Leave a Reply