মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
গুরুদাসপুরে বর্ষাজুড়ে নোংরা-পচা হাঁটুপানি পার হয়ে যেতে হয় স্কুলে

গুরুদাসপুরে বর্ষাজুড়ে নোংরা-পচা হাঁটুপানি পার হয়ে যেতে হয় স্কুলে

সোহানুল হক পারভেজ তানোর (রাজশাহী) :

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের ৭০নম্বর খিদির গরিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের নোংরা-পচা হাঁটুপানি পার হয়ে যাতায়াত করতে হয়।

জানা গেছে, প্রায় ৮বছর ধরে স্কুলের এমন জলাবদ্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে। এ কারণে এলাকার সচেতন অভিভাবকেরা আর এই স্কুলে তাদের সন্তানদের পাঠাতে চান না। ফলে প্রতি বছর কমছে শিক্ষার্থী। যারা স্কুলে যাতায়াত করছেন তাদের সর্দি, জ্বর ও চর্মরোগে আক্রান্তের খবরও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া স্কুলে নেই বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা। জলমগ্ন থাকায় একটি মাত্র শৌচাগার ব্যবহার করতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, অবস্থার পরিবর্তন না হলে, করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষকদের বদলি পদ্ধতি চালু হলেই এখানে কর্মরত শিক্ষকেরা গণহারে বদলির আবেদন করবেন।

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহির উদ্দিন মোল্লা জানান, আগে চাপিলা, মহারাজপুর ও গরিলা গ্রামের বৃষ্টি পানি চলনবিলে নেমে যাওয়ার জন্য একটি খাল ছিল। এলাকার মানুষ মাছ চাষ করার জন্য অসচেতন ভাবে শত শত পুকুর কাটার সময় এই খাল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন খালটির আর কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। যার কারনে বর্ষা মৌসুমের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত স্কুলটি জলাবদ্ধ হয়ে থাকে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তার নিজের এলাকায় হওয়ায় এখানে যোগদানের আগে থেকেই তারা এই জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য মানববন্ধনসহ নানা উদ্যোগ নিয়ে সফল হননি। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যা শ‘য়ের নিচে চলে এসেছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুরোধ করলেও অভিভাবকেরা এমন পরিবেশে তাদের সন্তানকে আর পাঠাতে চান না। অনেকে অন্য গ্রামের স্কুলে ও মাদ্রাসায় তাদের সন্তানদের ভর্তি করেছে।

স্থানীয় চাপিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন ভুট্টু বলেন, স্কুলের চারপাশে প্রভাবশালীরা অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর কাটায় বছরের সাত মাস স্কুলটি জলাবদ্ধ থাকে। এটা এই ইউনিয়নের ৭৫ভাগ এলাকার সমস্যায় পরিণত হয়েছে। একটা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে এত বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

নাটোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এরশাদ উদ্দিন আহমেদ জানান, আগামী সপ্তাহে তিনি নিজে স্কুলটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সব ধরনের চেষ্টা করবেন।

নাটোর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেছেন, এ রকম চলতে পারে না। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি খবর নিয়ে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকেরা যেন সুস্থ সুন্দর পরিবেশে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com