বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ ভূমিকা নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ ভূমিকা নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ

তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াসাম ও বগুড়া পাড়ার হাজার হাজার মানুষ।চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার কাচাপাকা বসত বাড়ী তিস্তার আগ্রাসী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে।পাচটি মসজিদ সহ বগুড়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তিস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।তিস্তার তির হতে ৫০মিটার দূরে চর গতিয়াসাম কমিউনিটি ক্লিনিক ও ১৫০মিটার দূরে গতিয়াসাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হুমকির মুখে রয়েছে।ভাঙনে দিশেহারা এলাকাবাসী কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সাড়া পায়নি।অবশেষে এলাকাবাসী নিজস্ব অর্থ দিয়ে তিস্তার ভাঙন প্রতিরোধ করতে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ করছেন।এলাকাবাসীর উদ্যোগে গত দশ দিনে হাড়িচাদা করে অর্থ সংগ্রহ করে ইতিমধ্যে পাচটি বান্ডাল নির্মাণ করেছেন।এলাকাবাসীর অভিযোগ রাজারহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পী ছাড়া আমাদের খোজ খবর নিতে কুড়িগ্রামের কোন জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দায়িত্বশীল কেউয়ে আসেনি।ভুক্তভোগী সাবেক চেয়ারম্যান মোন্নাফ সরদারের ছেলে মমতাজ উদ্দিন বলেন গত তিন মাসে প্রায় তিন হাজার কাচাপাকা বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে,কম করে হলেও ১২শ থেকে ১৫শ একর আবাদি জমি তিস্তা নদীতে চলে গেছে।আমরা কারও কোন সহযোগীতা পাইনি।বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী চাদা তুলে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ করছি।এমদাদুল হক(৬৫)বলেন আমার জীবদ্দশয় এমন ভাঙন দেখি নাই।সরকারীভাবে নদী ভাঙন প্রতিরোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে জিও ব্যাগ চেয়েও পাইনি।অবশেষে নিজেরাই বান্ডাল দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছি।স্বেচ্ছাসেবক মমিনুল হক বলেন তিস্তা নদীর এবারের ভাঙন দুঃস্বপ্নের মত লাগছে।এমন ভাঙন আমি আগে দেখিনি।আমি সরকারের কাছে জোর দাবী জানাই যত দ্রুত সম্ভব জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হউক।উল্লেখ কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড গত দুমাস আগে বগুড়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রক্ষা করতে কয়েক হাজার বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলালেও শেষ রক্ষা হয়নি।বর্তমান বিদ্যালয়ের স্থান টি কিনার থেকে ৫০০মিটার দূরে রয়েছে।
এবিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি হাসান মাহমুদ বলেন গত ১৫ই জুলাই তিন কিলোমিটার তিস্তার পূর্ব তির সংরক্ষনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করি কিন্তু এখনো আবেদন পাশ হয়নি,পাশ হলে কাজ করা হবে।
রাজারহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পী বলেন আমি গত বুধবার ভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে এসেছি ইতিমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি।আমি তাকে অনুরোধ করেছি তিস্তার ভাঙন প্রতিরোধে যেন স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com