বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বাড়ির মেইন ফটকে বৈদ্যুতিক খাম্বাঃ টাকা দিয়েও অর্ধবছর ধরে ভোগান্তির শিকার গ্রাহক

বাড়ির মেইন ফটকে বৈদ্যুতিক খাম্বাঃ টাকা দিয়েও অর্ধবছর ধরে ভোগান্তির শিকার গ্রাহক

লোকমান হাফিজঃ

সীমান্ত এলাকা গোয়াইনঘাট উপজেলা ৭নং নন্দিরগাঁও ইউনিয়ের মানাউরা গ্রামে প্রায় অর্ধবছর ধরে আবেদন করেও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গ্রাহক।

মানাউরা গ্রামে ভোগান্তির
আরেক নাম হয়ে দাড়িয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানোর আবেদন। মানাউরা গ্রামের সিদ্দিক আহমদ এর ছোট ভাই নতুন বাড়ি তৈরী করেছেন সড়কের পাশে। বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর গেইট নির্মাণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বৈদ্যুতিক খুঁটি। বাড়ির মূল ফটকের সামনেই বৈদ্যুতিক খাম্বাটি দাঁড়িয়ে আছে। তা স্থানান্তর না করলে বাড়িতে প্রবেশ হয়ে যাবে দুস্কর।

গত মার্চ মাসের ২৯ তারিখে সিলেট পল্লী বিদ্যু সমিতি-২ এর আওতাধীন শিবের বাজার আঞ্চলিক শাখায় রশিদ নং (২০২৯৮৮) মারফত ১৭২৫ টাকা ফি দেন খুঁটি সরানোর আবেদন বাবদ। এর ৬ মাস পর চলতি মাসের ১০ তারিখ খুঁটি স্থানান্তর করা হয়। এর মাঝে চলে আসছি/আসবো, হচ্ছে-হবে বলে সময় ক্ষেপন। এভাবেই ভোগান্তির চাকা ঘুরতে থাকে দিনের পর দিন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিদ্দিক আহমদ ও তাঁর ভাই সাদী আহমদ জানান, খুঁটি সরানোর আবেদন ফি ১৭২৫ টাকা। পরে খুঁটি স্থানান্তর ফি ৭ হাজার ৩৯ টাকা প্রদান করেছি। যা তাদের নির্ধারিত ফি। ব্যাপার হলো, টাকা যাক কিন্তু আমরা পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক। আমাদের মতো এই এলাকার আরও অনেকে নিরবে ভোগান্তি সহ্য করে যাচ্ছেন।
এই ভোগান্তি থেকে পরিত্রানের জন্য গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষের সাথে বার বার যোগাযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ কাউকে কোনো পাত্তাই দেয়নি।

সরেজিমনে এলাকা ঘুরে জানা যায় আরেক তথ্য, ১০ সেপ্টেম্বর খুঁটি স্থানান্তর করতে আসলে আরও ২ হাজার ৫শ’ টাকাও দিতে হয়েছে বখরা হিসেবে।

খবর নিয়ে জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা ফখর উদ্দিন বলেন, আমিও ‘খুঁটি’ ভোগান্তির শিকার হয়েছি। আমি এবং আমার পরিবার বিদ্যুৎ অফিসে দৌড় ঝাপ দিতে দিতেই মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে। তা ছাড়া বিদ্যুৎ অফিসে কোনো অভিযোগ নিয়ে যাওয়ার পর তাদের তেমন কোনো রেসপন্স পাওয়া যায় না। বারবার তারিখ করলেও তারা কথা ঠিক রাখেন না।

এ ব্যাপারে কথা বললে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন শিবের বাজার আঞ্চলিক শাখার এজিএম রমিজ উদ্দিন বলেন, ফি যা দিয়েছেন তা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। তবে কালক্ষেপন করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন-বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তরের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে আমরা গ্রাহকদের ভালো সার্ভিস দেয়ার চেষ্ঠা সর্বদা করে থাকি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com