রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
মাধবপুরে দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় বাশঁ ও বেত শিল্প।

মাধবপুরে দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় বাশঁ ও বেত শিল্প।

মাধবপুর( হবিগঞ্জ ) প্রতিনিধি :


হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাঁশ ও বেতের তৈরি জিনিসের চাহিদা থাকার সত্বেও পর্যাপ্ত কাচামালের অভাবে দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে শিল্পটি। এতে এ শিল্পের সাথে জড়িত লোকজন পরেছেন বিপাকে। একসময় মাধবপুর উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে তৈরি হতো বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী। ঘরের কাছের ঝাড় থেকে তরতাজা বাঁশ ও বেত কেটে পুরুষ ও মহিলারা তৈরী করতেন হরেক রকম পণ্য। বিপুলসংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করতেন এই বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য বিক্রি করে। একসময় বাসা-বাড়ি কিংবা অফিস-আদালত সবখানেই ব্যবহার করা হতো বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র। বাঁশ ও বেতের তৈরি এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত কাচামালের অভাবে কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পটি বিলুপ্তির পথে। সরজমিনে উপজেলার জগদীশপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায় সোফাসেট, বইপত্র রাখার র‌্যাকসহ বাঁশ ও বেতের বিভিন্ন পণ্যের দোকান সাজিয়ে বসে আছেন এ পেশার কারিগররা। এই শিল্পের সাথে জরিত মারুফ উদ্দিন জানায়, বন উজাড় হওয়ার ফলে আগের মত সহজে বেত পাওয়া যায়না। তিন গুন বেশি দাম দিয়ে বেত কিনতে হয়। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা পুরন করতে পারছি না। বিল্লাল হুসেন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, পণ্যের চাহিদা অনেক কিন্তু আগের মত বেত পাওয়া যায়না। অনেক দাম দিয়ে বেত কিনে পণ্য তৈরী করতে হয়।সরকার যদি আমাদের অনুদান বা রিন দিয়ে সাহায্য করতো তাহলে আমরা ঘুরে দাড়াতে পারতাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com