শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
নওগাঁর মহাদেবপুরে কুঠির শিল্পের বেহাল দশা

নওগাঁর মহাদেবপুরে কুঠির শিল্পের বেহাল দশা

কাজী সামছুজ্জোহা মিলন,
মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

নওগাঁর মহাদেবপুরে কুঠির শিল্পের বেহাল দশা। কুঠির শিল্পের সাথে জড়িত সদস্যরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

উপজেলার শিশাহাট এলাকার মৃত জতিশ চন্দ্রের পুত্র কুঠির শিল্প ব্যবসায়ী রুবেল চন্দ্র ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে এ প্রতিবেদককে জানান, তার দোকানে ঝাড়, খৈচালা, কুলা, খাচা, মাতুল, ডালি, ভেরা, গোমাই, খলই, টোপা প্রভূতিসহ নানা বাঁশ জাতীয় পণ্য তৈরী করে বাজারে বিক্রয় করেন। প্রতিটি ঝাড়– ১০-১০০ টাকা, খৈচালা ২৫-২০০টাকা, মাতুল ২০০-৫০০টাকা, খলই ৮০-২৫০টাকা, কুলা ৩০-৮০টাকা দামে বিক্রয় করে থাকেন।

কিন্তু বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধী করোনা ভাইরাস কালে তাদের বিক্রি খুবই কম। হাট বার ছাড়া বিক্রি নেই বললেই চলে। দোকানে কথা হয় উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের পলি পাড়া গ্রামের কাউছার আলীর সাথে তিনি জানান, অনেক দিন থেকে আসব আসব করে আশা হয়নি। অতিব প্রয়োজনে ৪টি ঝাড়– কিনতে এসেছি। প্রতিটির দাম ১০০ টাকা করে।

এ সময় জতিশ আরো জানান, সারা দিনে যা বিক্রি হয় তা দিয়ে দোকান খরচ হয়না। পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছি। এ পর্যন্ত তারা কোন সরকারি সহযোগীতা পাননি।

একই কথা জানান, উপজেলা সদরের কুঠির শিল্প ব্যবসায়ী আক্কাস আলী, জুয়েল হোসেন ও উজ্জল। তারা সকলেই বলেন তাদের বেচা কেনা খুব কম।

অপর দিকে কুঠির শিল্প বিষয়ে আদিবাসী নেতা ও সাংবাদিক অসিত দাস জানান, কুঠির শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। করোনা কালীন সময়ে কুঠির শিল্পের সাথে জড়িত সদস্যরা কোন সহযোগীতা না পাওয়া দুঃখজনক। সরকারি ভাবে কুঠির শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে এর সাথে জড়িত সদস্যদের সহযোগীতা করে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার দাবী জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com