শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বগুড়া আদমদীঘিতে বিল নার্সারি পুকুর খননে অনিয়মের অভিযোগ।

বগুড়া আদমদীঘিতে বিল নার্সারি পুকুর খননে অনিয়মের অভিযোগ।

বগুড়া সংবাদদাতা :

বগুড়ার আদমদীঘিতে বিল নার্সারি পুকুর খনন ও প্রাকৃতিক উপায়ে মৎস্য পোনা উৎপাদন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পালের বিরুদ্ধে। এই অর্থ লোপাটের সাথে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে। নামকাওয়াস্তে খনন করা পুকুর খননের মাস না হতেই বিলীন হয়ে গেছে বিলের অথৈই পানিতে। পুকুরে ছাড়া রেনু পোনা বড় হওয়ার আগেই ভেসে গেছে বিলের পানিতে। ফলে শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে সরকারের বিল নার্সারী প্রকল্প, গচ্চা গেছে লাখ লাখ টাকা । সংস্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রক্তদহ বিলে প্রকৃতিক উপায়ে মৎস্য পোনা উৎপাদন করার জন্য বিল নার্সারি পুকুর খননের প্রকল্প গ্রহন করে রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল উন্মুক্ত বিল জলাশয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে পোনা উৎপাদন এবং বিলের পানিতে ছড়িয়ে দেওয়া। উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের রক্তদহ বিলে এক একর আয়তনের যে ৪নার্সারি পুকুর খনন করা হয়েছে বিলের প্রায় তলা বরাবর। প্রতিটি পুকুর খননের ব্যয় বরাদ্দ ৫লাখ ১৬হাজার টাকা। প্রতি পুকুরের আয়তন দৈর্ঘ্যে ৩ শ’ ফুট এবং প্রস্থ্য ৮০ ফুট এবং গভীরতা ৬ ফুট করার কথা থাকলেও সেটা করা হয়নি বলে ওই বিলের মৎস্যজীবীদের নিকট থেকে অভিযোগ মিলেছে। এদিকে ৪ পুকুর খননে মোট ২০লাখ ৬৪হাজার টাকা ছাড়াও উপকরণ ক্রয় খাতে সাড়ে ৬লাখ টাকা বরাদ্দ পায় উপজেলা মৎস্য বিভাগ। পুকুর খননে ৪টি শ্রমিক দল (এলসিএস দল) গঠন এবং দলপতি নিয়োগ করা হয়। কিন্তু মাটি কাটা কোন শ্রমিক ব্যবহার করা হয়নি। পুকুর খনন করা হয়েছে মেশিনে। কিন্তু বরাদ্দ করা সমুদয় টাকা খরচ দেখানো হয়েছে শ্রমিক দলপতির নামে। পুকুর খননে ব্যবহার করা ভেকু মেশিন মালিক আব্দুর রহিম বলেন একাজে তার খরচ হয়েছে ৭লাখ ৯২হাজার টাকা। তাকে ওই পুকুর খননের কাজে লাগায় সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক সরদার টুলু। কাজ চলার সময় এবং শেষে তাকে মাত্র সাড়ে ৪লাখ টাকা দিয়েছেন। অবশিষ্ট টাকা দিই-দিচ্ছি বলে হয়রানী করে চলেছেন টুলু চেয়ারম্যান। এদিকে উপকরণ খাতে বরাদ্দ সাড়ে ৬লাখ টাকার মধ্যে মাত্র ৭০ থেকে ৮০হাজার টাকার উপকরণ দিয়ে অবশিষ্ট টাকা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল আত্মসাৎ করেছেন বলে মৎস্য বিভাগের উচ্চ মহলে অভিযোগ দিয়েছেন বিলের সমাজ ভিত্তিক মৎস্যচাষি সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু এবং সম্পাদক মোঃ মন্টু। এই অভিযোগ করার ঘটনা জানার পর মৎস্য কর্মকর্তা ও পুকুর খননের দায়িত্ব পালন করা সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক সরদার টুলু ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠে। তারা বৃহস্পতিবার অভিযোগকারিদের ডেকে নিয়ে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বৈঠক করে। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল বৈঠক করার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, এপ্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে কোন দুর্নীতি হয়নি। ভুল বোঝার মাধ্যমে করা অভিযোগ বিষয়ে তাদের ভুল ভাঙ্গানোর জন্য বৈঠক করা হয় বলে দাবী করেন ওই মৎস্য কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com