ডেস্ক নিউজ:
র্যাবের অভিযানে ময়মনসিংহের কোতয়ালী থানাধীন খাগডহর এলাকা হতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বোমা সদৃশ্য বস্তু সহ জেএমবি’র ৪ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার। দরজা ভাংগা ও তালা কাটার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সহ অন্যান্য সামগ্রী জব্দ।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র্যাব ম্যানডেটের আলোকে জঙ্গি দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে এলিট ফোর্স র্যাব। প্রতিষ্ঠা হতে এ পর্যন্ত ২,৬১৭ জন বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তন্মধ্যে ১,৩৭৭ জন জেএমবি সদস্য। র্যাবের অভিযনে গ্রেফতার হয় জেএমবি’র শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়ালসহ বেশ কয়েকজন জঙ্গি নেতা। ২০০৭ সালে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়। অতঃপর তেমন কোন জঙ্গি হামলা সংঘঠিত হয়নি। ২০১৬ সালের হলি আর্টিজান হামলার মাধ্যমে পুনরায় জঙ্গি সংগঠনের অস্তিত্ব প্রকাশ পায়।
২।হলি আর্টিজান ঘটনা পরবর্তী র্যাব জঙ্গিদের গুরুত্বপূর্ণ নেতা, সক্রিয় সদস্য ও হামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী গ্রেফতারে সক্রিয় ছিল। হলি আর্টিজান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও তৎকালীন জঙ্গি সংগঠন জেএমবি এর আমির সারোয়ার জাহান @ আসীম আজোয়াত @ মানিক সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সাফল্য অর্জন করে র্যাব। র্যাবের অভিযানে কেন্দ্রীয় দাওয়াতি শাখা প্রধান, সূরা ও শরীয়া বোর্ড সদস্য, মহিলা শাখার নেতৃবৃন্দ এবং বেশ কয়েকজন অতি গুরুত্বপূর্ণ আইটি বিশেষজ্ঞকে গ্রেফতারের মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনকে দুর্বল করে দেয় র্যাব। এভাবে র্যাবের সময়োচিত পদক্ষেপ ও তীক্ষè গোয়েন্দা নজরদারিতে অঙ্কুরেই নসাৎ করে দেয়া হয় জঙ্গি হামলা এবং হামলার সকল পরিকল্পনা। হলি আর্টিজান পরবর্তীতে র্যাবের কর্মতৎপরতায় ১,৪৫৫ জঙ্গি সদস্য গ্রেফতার হয়; তন্মধ্যে ৮০৭ জন জেএমবি সদস্য। এছাড়া অভিযানে নিহত হয় বেশ কয়েকজন জঙ্গি সদস্য।
৩।জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে রোল মডেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “জিরো ট্রলারেন্স” নীতির আলোকে র্যাব জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান এবং আইন-শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীর কর্মতৎপরতায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। র্যাব ফোর্সেস এর কর্মতৎপরতায় রয়েছে জঙ্গি সম্পর্কীয় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক রোবাস্ট অপারেশন পরিচালনা করা; ক্রমাগত নিজস্ব গোয়েন্দা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, জঙ্গিবাদে অন্তর্ভূক্তি প্রতিহত করণ; জঙ্গিবাদ বিরোধী প্রচারণা ও জনমত গড়ে তোলা এবং জনগনকে জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা। এছাড়া জঙ্গি আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহন করে র্যাব। “র্যাব ডি-রেডিক্যালাইজেশন এ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন” এর আওতায় ১৬ জন জঙ্গি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে।
৪।বর্তমানে জঙ্গিবাদ বাংলাদশে একটি পরাজিত শক্তি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর্যূপরি জঙ্গি বিরোধী অভিযান ও কর্মতৎপরতার ফলে জঙ্গিদের তৎপরতা প্রায় শুন্যের কোঠায়। তথাপিত্ত র্যাব আত্মতুষ্টিতে ভূগছে না। আমরা আমাদের গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রেখেছি। র্যাবের গোয়েন্দারা জানতে পারে জঙ্গিরা পুনরায় আবার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা করছে। নাশকতা কার্যক্রম পরিচালনা ও পুনরায় সংগঠিত হতে তাদের অর্থেরও প্রয়োজন। প্রত্যেক জঙ্গি সদস্যদের বাধ্যতামূলক ইয়ানত প্রদান জঙ্গিদের অর্থের একটি মূল উৎস। এছাড়া জঙ্গিরা বিভিন্ন সময়ে লুট, ছিনতাই ও ডাকাতি ইত্যাদির মাধ্যমেও অর্থ যোগান করেছে। তন্মধ্যে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি ও লুট সহ বিভিন্ন অর্থ ছিনতাইয়ের ঘটনা উল্লেখযোগ্য।
গোয়েন্দাসূত্রে সাম্প্রতিক সময়ে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে জঙ্গিদের বিভিন্ন গতিবিধি নজরে আসে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য মধ্য রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১৪ এর অভিযানে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য (১) জুলহাস উদ্দিন @ কাদেরী @ মেহেদী (৩৪), ময়মনসিংহ, (২) মোহাম্মদ রোবায়েদ আলম @ ধ্রুব @ রুব (৩৩), ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, (৩) মোঃ আলাল @ ইসহাক (৪৮), ময়মনসিংহ এবং (৪) মোঃ আবু আইয়ুব @ খালিদ (৩৬), রংপুর’দেরকে ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত অভিযানে জব্দ করা হয় ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ, ০৮ টি বোমা সদৃশ্য বস্তু, ০৪ টি ব্যাগ, দরজা ও লক ব্রেকিং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি এবং একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা। গ্রেফতারকালীন সময়ে জঙ্গিদের সাথে র্যাবের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা তাদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র এহসার সদস্য। এই স্তরের সদস্যরা বিভিন্ন জঙ্গি অপারেশনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে থাকে। গ্রেফতারকৃতরা সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি’র জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হয় বলে জানায়। এ বিষয়ে জামালপুরের একটি গোপন আস্তানায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
গ্রেফতারকৃতরা আরো জানায়, বর্ণিত অপরাধ সংগঠনে বাছাইকৃত ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ জঙ্গি দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ময়মনসিংহের কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও, স্বর্ণালঙ্কার দোকান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে একটি টার্গেট নির্ধারণ করেছে। জল ও স্থলপথের সমন্বয় ঘটিয়ে ঘটনাস্থলে আগমনের পরিকল্পনা করা হয়। এক্ষেত্রে পরিকল্পনায় নৌকা, মাইক্রোবাস ও বাইক ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। লুটকৃত অর্থ ময়মনসিংহের একটি এলাকার অপর একটি দলের নিকট হস্তান্তর করার পরিকল্পনা ছিল।
গ্রেফতারকৃতরা জানায়, গত ৩১ আগস্ট ২০২১ তারিখ জামালপুরের মাদারগঞ্জের একটি আস্তানায় তারা জড়ো হয়। পরবর্তীতে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বিকেলে জামালপুরের জামতলা চর এলাকা হতে ব্রাহ্মপুত্র নদী দিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে যাত্রা শুরু করে। গোপনীয়তা বজায় রাখতে পথিমধ্যে তারা বিভিন্ন চরে যাত্রা বিরতি করে। অতঃপর অদ্য মধ্য রাতে ব্রাহ্মপুত্র নদী দিয়ে ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকায় পৌছায়।
গ্রেফতারকৃতরা আরো জানায় বর্ণিত ডাকাতির নেতৃত্বে ছিল গ্রেফতারকৃত জঙ্গি জুলহাস @ কাদেরী @ মেহেদী। তার নেতৃত্বে কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা করেছিল। দলের সদস্যদের ওয়াচম্যান, হাউজ ও লক ব্রেকিং, নিরাপত্তা প্রদান এবং লুটতরাজসহ বিভিন্ন দায়িত্বে বন্টন ও বিভাজন করা হয়। গ্রেফতারকৃত রোবায়েদ এর সিটিটিভি ও তথ্য প্রযুক্তির বিষয়াদি দেখভাল করার দায়িত্ব ছিল।
গ্রেফতারকৃত জঙ্গি জুলহাস @ কাদেরী @ মেহেদী ২০০৫ সালে মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ হতে আলিম পাশ করে। ২০০২ সালে জামালপুরে একটি মাদ্রাসায় দাখিল অধ্যায়ণরত অবস্থায় এক ট্রেইলার মাষ্টারের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। উক্ত টেইলারের দোকানে সে নিয়মিত যাতায়াত করত এবং সেখানে বিভিন্ন উগ্রবাদী ওয়াজ ও গজল শুনত। অতঃপর মুক্তাগাছা একটি মাদ্রাসায় আলিম অধ্যায়ণরত অবস্থায় সে জেএমবি’তে যুক্ত হয়। সেসময় মুক্তাগাছার একজন আঞ্চলিক নেতার অধীনে সে বায়াত গ্রহণ করে। উক্ত বায়াত গ্রহণে ১০ জন জেএমবি সদস্য অংশগ্রহণ করে। উক্ত ১০ জেএমবি সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা গ্রেফতারও হয়েছে। কেহ কেহ এখনও আত্মগোপনে রয়েছে। বায়াত প্রদানকারী আঞ্চলিক নেতা বাংলা ভাইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহচর। উক্ত নেতার মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত জুলহাস এর বাংলা ভাই ও শীর্ষ জঙ্গি নেতা সালাউদ্দিন সালেহীন এর সাথে পরিচয় ঘটে। বাংলা ভাই ও জঙ্গি নেতা সালাউদ্দিন সালেহীন বিভিন্ন সময়ে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলে অবস্থানকালীন সময়ে বর্ণিত জঙ্গি বিভিন্ন সহায়তা করত। সে ২০০৭ হতে ২০০৯ সাল পর্যন্ত জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় ২ বছর কারা অন্তরীণ ছিল। অতঃপর সে নিজ এলাকায় জঙ্গিবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও সেখানে শিক্ষকতা শুরু করে। উক্ত মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষক জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতা থাকায় গ্রেফতার হয়। তখন সে সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতে ২০১২ সালে আত্মগোপনে চলে যায়। ফলে মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়। সে টাঙ্গাইলে ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় ছদ্মনামে বিভিন্ন মাদ্রাসা, মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে জঙ্গি কার্যক্রমে সক্রিয় ছিল। এসময় সে জঙ্গিবাদ প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে উদ্বৃদ্ধ করণে যুক্ত ছিল। এছাড়া জঙ্গিদের উত্তরবঙ্গ ও ঢাকা গমনাগমনে টাঙ্গাইলে সেল্টার প্রদান করত। পাশাপাশি সে টাঙ্গাইল, গাজীপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহের জঙ্গিদের গোপন আস্তানার সমন্বয় সাধন করত। এমন কয়েকটি আস্তানায় ইতিপূর্বে র্যাব অভিযান পরিচালনা করেছে।
গ্রেফতারকৃত জঙ্গি রোবায়েদ @ ধ্রুব @ রুব ময়মনসিংহের একটি কলেজ হতে অনার্স সম্পন্ন করে। ময়মনসিংহে অধ্যায়ণরত অবস্থায় এক সহপাঠীর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। অতঃপর সে জেএমবি’তে যোগদান করে। ২০১৩ সালে ময়মনসিংহে একটি নাশকতা মামলায় বেশ কয়েকদিন কারা অন্তরীণ ছিল। এছাড়াও সে ২০১৫ সালে ঢাকার একটি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ইংরেজীতে এমএ সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে সে কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রোগ্রামের উপর প্রশিক্ষণ নেয়। সে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা ও টেকনাফে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিল। সে শিক্ষকের ছদ্মবেশেও উক্ত এলাকা ও প্রতিষ্ঠানে জঙ্গিবাদ প্রচার করত। সে জেএমবি সাইবার দলের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সে করোনাকালীন সময়ে অনলাইন দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে বেশ কয়েকজনকে জঙ্গিবাদে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
১২।গ্রেফতারকৃত জঙ্গি আইয়ুব @ খালিদ (৩৬) উত্তরবঙ্গের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএসসি (অনার্স) সম্পন্ন করে। ২০১৯ সালে উত্তরবঙ্গের সাইবার দলের প্রধানের মাধ্যমে জেএমবি’তে অন্তর্ভুক্ত হয়। সে উত্তরাঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মধ্যে জেএমবি দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়। দ্রুততম সময়ে স্বল্প শিক্ষিতদের জেএমবি’তে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে সে পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও নীলফামারিতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক, অটোচালক, টেইলার ইত্যাদি শ্রেণীর পেশাজীবীদের জঙ্গিবাদে অন্তর্ভুক্ত করেছে। উত্তরবঙ্গের উক্ত জেএমবি নেতা তাকে বর্ণিত ডাকাতিতে নির্বাচিত করার জন্য শীর্ষ এক নেতার কাছে সুপারিশ করে।
গ্রেফতারকৃত জঙ্গি আলাল @ ইসহাক (৪৮) সে ২০১০ সালে জুলহাসের মাধ্যমে জেএমবি’তে অন্তর্ভুক্ত হয়। জুলহাস সহ যে দশজন একত্রে জেএমবি’তে বায়াত নিয়েছিল, সে তাদের বিশেষ সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করত। সাংগঠনিক প্রয়োজনে সে ময়মনসিংহ, জামালপুর, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জে সফর করেছে। বর্ণিত ঘটনায় তার নৌকা চালান সহ ডাকাতিতে অংশগ্রহণের দায়িত্ব ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
Leave a Reply