এরফান হোছাইন, কক্সবাজারঃ
দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর কালারমারছড়ায় ইউনুছ খালী মৌজার হারুন তাহের গং স্বত্তীয়-রেকর্ডীয় পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত জায়গা দীর্ঘ ৫০ বছর অধিককাল ভোগ দখল করে আসছেন। হঠাৎ একই এলাকার এনামুল হক গং উক্ত জায়গা অবৈধভাবে জবর দখলের চেষ্টা করলে হারুন তাহের গং বাদী হয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কক্সবাজার আদালতে এমআর মামলা নং-৯৯৯/১৯ইং দায়ের করেন। উক্ত মামলা দীর্ঘদিন বিচারাধীন থাকার পর বিজ্ঞ আদালত গত ১৮/০৮/২১ ইং তারিখে হারুন তাহের গংয়ের পক্ষে চূড়ান্ত রায় প্রচার করেন। এবং মহেশখালী থানাকে রায় কার্যকর করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন আদালত। এরপরে বিবাদীরা আরো বেপরোয়া হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি-ধামকি সহ এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বললে বাদীর ছোট ভাই মৌলানা আব্দুর রহিম মহেশখালী থানায় গত ২২/০৮/২০২১ ইং তারিখে সাধারণ ডায়েরী করেন। উক্ত জিডির নং ৯৩২। এটি জানতে পেরে বিবাদীরা প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৯/০৮/২১ ইং তারিখে সকাল অনুমান ১১:০০ ঘটিকার সময় বিবাদী লতিফ, বেলাল, এনাম এবং ইমতিয়াজসহ তাদের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর স্বত্তীয় জমিতে গিয়ে পান বরজ ভাঙ্গচুর করতে থাকে এতে বাদীপক্ষের বর্গা চাষী মিজান, তালেব,এহসান এবং আলতাফ বাধা প্রদান করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে খুন ও জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাষাদের দৌড়াইয়া নিয়ে যাই। উক্ত বিষয়ে ৩০/০৮/২১ ইং তারিখে মহেশখালী থানায় একটা অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু ভূক্তভোগী বাদী পক্ষের আফসোস দেশের প্রচলিত আইন ও বিচার ব্যবস্হার প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে আদালতে বিচারের শরাণাপন্ন হয়। কিন্তু,আদালত বাদীপক্ষে চূড়ান্ত রায় প্রচার করার পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্লিপ্ততা বাদীপক্ষ চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উক্ত বিবাদী এনাম গং এর বিরুদ্ধে আব্দু রহিম গং, ওসমান গং, হেলাল গং সহ অনেকের ভূমি দখল সহ চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ আছে।
ভুক্তভোগী বাদী পক্ষের আব্দু রহিম বলেন, মহেশখালী থানা এ ব্যাপারে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন। বরাবরের মতো ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে এমনটাই আশা করেন তিনি।
Leave a Reply