রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রাজারহাটে ভিজিডির চাউল আত্মসাতের অভিযোগ,কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়ারম্যান বললেন ষড়যন্ত্র।

রাজারহাটে ভিজিডির চাউল আত্মসাতের অভিযোগ,কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়ারম্যান বললেন ষড়যন্ত্র।

রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:


রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ভিজিডির চাউল আত্মসাতের অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই ইউনিয়নের দশজন ইউপি সদস্য।এরই প্রেক্ষিতে রোববার ২৯শে আগস্ট দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার উপ পরিচালক
(স্থানীয় সরকার) ডিডিএলজি জিলুফা সুলতানা চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদে তদন্তে আসেন।উল্লেখ ইউপি সদস্যগনের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৭শে আগস্ট শুক্রবার রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সাময়িকভাবে পরিষদের গোডাউনে তালাবন্ধ করে দেন।রোববার কুড়িগ্রাম জেলার উপ পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ডিডিএলজি জিলুফা সুলতানা ও রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম ইউনিয়ন পরিষদে তদন্তে আসেন।তদন্ত শেষে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনের তালা খুলে দেন।এই বিষয়ে ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন ও ইউপি সদস্য আবেদ আলী বলেন ভিজিডি ও ভিজিএফ সহ ১১টি সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ এনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।তারা বলেন চেয়ারম্যান ৯জন ভিজিডি কার্ডধারীর নামে ববরাদ্দকৃত ৭২বস্তা চাউল আত্মসাৎ করেন।এছাড়াও মাসিক মিটিং না করা,করোনা কালীন চাউল আত্মসাতের অভিযোগও করেন।
সরেজমিনে তদন্ত করে পাওয়া যায়,ইউপি সদস্যগনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিজিডির ৯ সুবিধাভোগীর কথা অভিযোগে উল্লেখ থাকলেও অফিস সুত্রে ৮জন সুবিধাভোগীর তালিকা পাওয়া যায়।
আশারু মৌজার রহিমা বেগম ভিজিডির ৮বস্তা চাউল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন।এছাড়াও খুলিয়াতারির রহিমা বেগম ও রাবেয়া বেগম সাংবাদিক কে জানান যে আমরা ভিজিডি কার্ডের বরাদ্দকৃত ৮বস্তা চাউল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পেয়েছি।
ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট,সামনে নির্বাচন আমাকে বেকায়দায় ফেলাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করছে।আমার পূর্ববর্তী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও এরুপ অভিযোগ করেছিলো।মাসিক মিটিংয়ের বিষয়ে যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা কেনানা রেজুলেশনের ইউপি সদস্যগনের সাক্ষর রয়েছে।তাদের অনৈতিক দাবী মেনে না নেওয়ায় আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম বলেন যেহেতু বিষয় টি তদন্তাধীন রয়েছে তাই তদন্ত শেষ হলে বিষয় টি পরিস্কার হওয়া যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com