মোহাম্মদ শাহিন,মাদারগঞ্জঃ
হৃদয়ের স্মৃতিপটে শোকের বিচরণে ভিন্নতা থাকে। সময় গড়িয়ে শোকের ছায়ায় আলোরও দেখা মেলে। কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়ে জাতি যে শোকে মুহ্যমান, তা যেন অনন্তকালের। পিতা হারানোর এ শোক চিরদিনের।
আজ শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়াম হল রুমে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু জীবন কৃষ্ণ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি বলেন এই আগস্ট মাসে ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ডে ঘটনা ঘটে। জঘন্যতম গণহত্যায় বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী, মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভ্রাতা শেখ আবু নাসের, জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেল, নবপরিণীতা পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও জাতির পিতার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ও কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
এই হত্যা কান্ডের মূল নায়ক ঠান্ডা মাথার খুনি জিয়াউর রহমান। শুধু তাই নয় সেনাবাহিনীর বারোশত অফিসার খেতাব প্রাপ্ত মক্তিযোদ্ধাদের ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে মেরেছে। তিনি আরও বলেন এই খুনি জিয়াউর রহমানের ভূয়া কবর পার্লামেন্টের এরিয়া থেকে অনতিবিলম্বে সরিয়ে ফেলার দাবি জানান।
ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বাঙালি জাতি সে নিষ্ঠুর হত্যার বিচারের রায় কার্যকরের মাধ্যমে কলঙ্কমুক্ত হলেও ঘাতকদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণার চেতনাকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে এ মাস।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন জেলা আ’লীগের সভাপতি এডভোকেট বাকি বিল্লাহ,সহ-সভাপতি আশরাফ হোসেন তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন চাঁন প্রমূখ।
এছাডাও জেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply