ফরিদুল ইসলাম রানা :
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম বালার ডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসায় এবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে শাহনাজ নামের এক নারীর কাছে ৬ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দহগ্রাম বালার ডাঙ্গা মাদ্রাসা সুপার আজম আলীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তোভুগীর অভিযোগ, ২০০৪ সালে দহগ্রাম বালার ডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার মাদ্রাসা সুপার আজম আলী ও আউলিয়ার হাট দাখিল মাদ্রাসার সুপার আসাদুজ্জামানের যোগসাজসে এবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের কথা বলে টাকার প্রাস্তাব দেয়।আমার বাবা ভবিষ্যৎ চিন্তা করে চিলার হাট দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী বুলুর মাধ্যমে টাকা দেয় এবং আমি নিয়মিত ক্লাস নেওয়া শুরু করি।
তবে দুঃখের বিষয়, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমিপিও ভুক্ত হলে আমার নাম তালিকাভুক্ত না করে অন্য একজনের নাম তালিকাভুক্ত করে। তবে ঘুষ বাণিজ্য, প্রতারণা,তথ্য জালিয়াতি সহ নানান অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার বলে জানান ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার আজম আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ নারী কে আমি চিনি না। টাকা নেয়ার কোন প্রশ্নেই আসে না।
মাদ্রসার বর্তমান সভাপতি বাবলু মিয়ার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,এই নিয়োগগুলো আগের সভাপতি বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামালের সময়ে হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।
তবে বিষয়টি সুরাহ করতে এর আগে স্থানীয় প্রতিনিধিরা কয়েকবার বৈঠক করেও কোন সমাধান করতে না পারলে ভুক্তভোগী চলতি বছরে পাটগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ মত অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষা মন্ত্রালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চলতি বছরে অভিযোগ দায়ের করলে চলতি মাসের ২৩ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রনালয় ভুক্তভোগীর কাছে নোটিশ প্ররণ করে।
বিষয়টি নিয়ে ২৬ আগষ্ট ২০২১ স্থানীয় প্রতিনিধিরা পাটগ্রাম উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জাল হোসেন (লিপুর) কাছে আসলে একটি বৈঠক হয় বৈঠকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি মাদ্রাসা সুপার আজম আলী সবার সামনে স্বীকার করেন এবং আগামী ৩ সেপ্টম্বর ২০২১তারিখে ৩ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
Leave a Reply