নাহিদ মিয়া,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
০১৭৫০০০৪৬৭৫,
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ১১টি ইউনিয়ন জুড়ে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে চাষাবাদ করছে, টমেটো চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে তথ্য মতে জানান উপজেলা চৌমুহনী ইউনিয়নের বড়ুয়া গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন জানান আমি ২২ শতাংশ জায়গাতে ঘরে আকারে মালচিং পদ্ধতি টমেটো চাষ করা মোটামুটি ফসল ভালো হয়েছে, টমেটো তেমন কোন ঔষধ ব্যবহার করা হয়নি,আবহাওয়া অনুকূলে ও প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না থাকায় ফলন ভালো নষ্ট হয়নি, এবার টমেটো দাম অনেকটা ভালো। এতে করে আমরা টমেটো চাষেরী বেশ খুশি।
ওই উপজেলার বহরা ইউনিয়নের গিয়ে কথা হয়, কৃষক আলমাছ সাথে কথা হলে জানান এবছর আমরা উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে টমেটো কলম চারা ও বিদেশি জাতের টমেটো চাষ করি,ফলে জমিতে ঘরের আকারে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করি এতে প্রয়োজনীয় মাত্রায় পানি,সার,বিষ,গোবর সহ বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে আমাদের জমিতে বিগত বছর গুলোর চেয়ে এবছর বাম্পার ফলন হয়েছে টমেটো। এবং প্রতিটি গাছের মধ্যে প্রায় আট থেকে দশ কেজি টমেটো রয়েছে। আমরা এরি মধ্যে পায় অনেক টমেটো বাজার জাত করেছি,কেজি প্রতি বাজারের পাইকারী মূল্যে ১০০ থেকে ১১০ বিক্রি করতে পেয়ে কৃষকরা খুশি।
এ বিষয়ে কথা হয় ‘ মাধবপুর কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ মোঃ আল মামুন হাসান জানান, উপজেলায় গত বছর টমেটো চাষাবাদ হয় ৪২০ হেক্টর জমিতে, এই বার ৪৫০ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। বাজারে টমেটো দাম ভালো থাকায় কৃষকরা টমেটো চাষে আগ্রহী হয়েছে। ইতি মধ্যে মাঠের সব জমিতে টমেটো ধরা শুরু হয়েছে।আমরা যখন জানতে পারি কৃষকরা টমেটো চাষ করে ক্ষতির মুখে পড়ে ফলে।এবছর সকল কৃষকদের কে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দেয় এবং যে সমস্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্য ব্যবহার প্রয়োজন সেগুলোর ও পরামর্শ দেয়। এতে উপজেলার সকল কৃষক আমাদের পরামর্শে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে আজ সকল কৃষক তাদের জমিতে প্রচুর পরিমাণ টমেটো ফলন হয়েছে।এবং ন্যায মূল্যে বাজার জাত করতে পারছেন কৃষকরা।
Leave a Reply