উৎফল বড়ুয়া:
ঘরে থেকে চিকিৎসা নিয়ে করোনা জয় করেছেনখাগড়াছড়ির শতবর্ষী এক বৃদ্ধ। যা সাড়া ফেলেপুরো এলাকায়। আতংকিত না হয়ে, এই বৃদ্ধের দৃঢ়মনোবল আর আত্মবিশ্বাস মুগ্ধ করেছেচিকিৎসকদেরও। সেবাযত্ম করে প্রশংসিত তারপরিবারও।
পানচড়ি উপজেলা বিজয় গিরি চাকমার বয়স এখন একশত পাঁচ। তিনি উপজেলার ৪নং লতিবান ইউপির কুড়াদিয়াছাড়া উগ্যজাই পাড়ার ম্রত রামচন্দ্র চাকমার সন্তান। গত ১৫ জুলাই পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ তার করোনা পজেটিভ গোষনা করলে পরিবারের সবাই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন।
কিন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা ও কোভিড-১৯ এ পানছড়ি উপজেলার ফোকাল পাসন উপজেলা স্যানিটরি ইন্সপেক্টর তৎজিম চাকমার দিক নিদের্শনায় অবশেষে করোনা জয় করেন একশত পাঁচ বছর বয়সি বিজয় গিরি চাকমা ।
গত ২৫ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে তার নিজ বাড়ী গিয়ে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে করোনা মুক্ত ঘোষনা করেন । উপজেল স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান এই বয়সে করোনা জয় করা একটা মাইল পলক ।
২৪ আগষ্ট (মঙ্গলবার) বিকাল ৪টার দিকে বাংলাদেশ বুলেটিনকে মোটুফোনে এক স্বাক্ষাতকারে উপজেল স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান এই বয়সে করোনা জয় করা একটা মাইল পলক।
বিজয় গিরি ছেলে তুষিত কুমার চাকমা ও মেয়ে সোনালী চাকমা জানায়, আমরা বাবার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম । কিন্তু ডা. অনুতোষ চাকমা ও তৎজিম চাকমার আন্তরিকতা, দিকনিদের্শনা পাশাপাশি পরম করুনাময়ের অশেষ আর্শিবাদে বাবাকে করোনামুক্ত করে সম্ভব হয়েছে ।
বিজয় গিরি চাকমা এলাকায় দানবীর হিসেবে পরিচিত । তিনি নালকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে ৫ শতক, মন্দিরে ২০ শতক, কে.জি স্কুলে ৪০ শতক, নালকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ শতক, শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে ৫ একর, শিলাচার বন বিহারে ১০ একর ও নালকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে বৌদ্দবিহারের জন্য রাস্তা দান করে এলাকায় দানবীর হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন ।
Leave a Reply