সদরপুর(ফরিদপুর)প্রতিনিধিঃ
সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের রাজারচর ওয়াজ হাওলাদার কান্দি গ্রামের হেলেনা পারভীনের কন্যা মারিয়া আক্তার মীমের সাথে সদরপুর ইউনিয়নের নয়রশি গ্রামের মোঃ ইউনুছ আলী মিয়ার পুত্র মেহেদী হাসান রনির সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এ ঘটনা কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মাঝে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, রনির পরিবার কে বিয়ের জন্য চাপ দেয় মীমের পরিবার। বিয়েতে অসম্মত হলে রনির বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে সদরপুর থানায় হেলেনা পারভীন। এ ঘটনায় রনি কে আটক করে ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়।
মামলা দায়েরের পর থেকে রনির বাবার নিকট হেলেনা পারভীন পাঁচলক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। টাকা না দিলে অপহরন মামলা দিয়ে তার পরিবার কে ফাঁসানো হবে বলে অভিযোগ করে রনির বাবা মোঃ ইউনুছ আলী মিয়া।
১৯ আগষ্ট মীম কে অপহরন করা হয়েছে দাবী করে হেলেনা পারভীন সদরপুর থানায় ২০আগষ্ট একটি সাধারণ ডায়রী করে রনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সদরপুর থানা পুলিশ একদিন পর মীম কে তার বন্ধু সুজনের বোনের বাড়ি মানিকদাহ ইউনিয়নের তুলসীঘাটা গ্রাম থেকে উদ্ধার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মীম জানায় তার মায়ের কথা মতো সেখানে আতœ গোপনে ছিলো।
অপরদিকে হেলেনা পারভীনের বিরুদ্ধে ২০আগষ্ট মোঃ ইউনুছ আলী মিয়া বাদী হয়ে ৫লক্ষ টাকা চাঁদাবাজীর মামলা দেয় সদরপুর থানায়। চাঁদাবাজী মামলায় হেলেনা বেগম ফরিদপুর কারাগারে রয়েছে এবং রনি আদালত থেকে বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছে।
এ ব্যাপারে সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত গোলদার জানান,উভয় পক্ষের অভিযোগ আমলে নিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply