আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহঃ
১৭ বছর আগে সরকার দলীয় বি,এন,পি ও জামাত তথা কথিত চার দলীয় সরকার আমলে বিরোধী দলের সভা সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে সভানেত্রী শেখ হাসিনা কে হত্যার লক্ষ্যে হামলা করা হয়েছিল। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মহিলা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আই,ভি,রহমান সহ ২৪ জন নেতা কর্মী উপস্থিত মৃত্যু বরণ করেন।সেই সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ময়মনসিংহ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে পুলিশ লাইন বঙ্গবন্ধু মোড়ালে মোমবাতি প্রজ্জ্বলিত করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক মোফাখাখার হোসেন খোকন এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম- আহবায়ক নাজমুল হুদা সুজন,যুগ্ন- আহ্বায়ক আবদুল আওয়াল মিন্টু, যুগ্ম- আহবায়ক শেখ মাছুম বিভিন্ন ওয়ার্ডের আহ্বায়ক ও যুগ্ম-আহবায়ক সহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট, মানিক,মিথুন,কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগের অন্যতম সদস্য সাখাওত সুজন, আমরা ক’জন মুজিব সেনা ময়মনসিংহ জেলা শাখার মাহবুব,কাজী কবির,মোঃ রেজাউল করিম খোকন সহ জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ। পরিশেষে নির্মমভাবে সুস্থ মস্তিষ্ক নিয়ে পরিকল্পনা কারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে অনুরোধ করে নেতৃবৃন্দ। ১৯৭৫ সালে যারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের পরিবার বর্গ ও আত্বীয় স্বজনের খুনিদের বিচার দাবী করেন।২০০৫ সালে ১৭ আগষ্ট সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে যারা দেশকে ও দেশের মানুষ কে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারের বিচার দাবী করেন। ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট আজকের এই দিনে যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে মারার জন্য পরিকল্পনা কারী তারেক রহমান, লুৎফর রহমান বাবর সহ সহযোগী পাকিস্তানের দালালদের সহায়তায় জরিত সকল কে বিচারের আওতায় আনতে অনুরোধ করেন।ধন্যবাদ। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হউক মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের।
Leave a Reply