সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
সরিষাবাড়ীতে জেলের জালে আটকা পড়েছে ৪৬ কেজি ওজনের পাখী মাছ

সরিষাবাড়ীতে জেলের জালে আটকা পড়েছে ৪৬ কেজি ওজনের পাখী মাছ

এম শাহীন আল আমীন, জামালপুর :

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওনা ইউনিয়নের জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাটে যমুনা নদীর ৪৬ কেজি ওজনের একটি সামুদ্রিক মাছের দেখা মিলেছে। এই মাছটিকে আগে কখনো এ অঞ্চলের মানুষ দেখেনি। মাছটিকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সেইল ফিশ বলছেন অনেকে। তবে মাছটির পিঠে বিশাল আকারের পাখনা থাকায় এটিকে স্থানীয়ভাবে কেউ কেউ পাখি মাছ আবার কেউ বলছে গাং চ্যালা।

শুক্রবার (২০ আগষ্ট) সকালে সুরুজ হাওয়ালদার নামে এক ব্যক্তি মাছটি সিরাজগঞ্জের রোড থেকে কিনে নিয়ে আসেন। পরে তিনি স্থানীয়ভাবে এলাকার লোকজনের কাছে ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩০০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

প্রায় নয় ফুট লম্বা মাছটি আজ ভোররাতে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী থেকে ধরা পড়ে বলে জানান সুরুজ হাওলাদার। এই সময় নতুন এই মাছটি দেখে উৎসুক অনেকে ভিড় করছে।
শাহীন ব্যবসায়ী এত বড় পাখনাওয়ালা মাছ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘মাছটি আগে কখনো দেখিনি। এটি দেখতে পাখির মতো।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সেইল ফিশের বৈজ্ঞানিক নাম Istiophorus platypterus। সেইল ফিশের আরেকটি জাত রয়েছে আটলান্টিক সেইল ফিশ (Istiophorus albicans)। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ন্যাশনাল ওশান সার্ভিসের তথ্যে দেখা যায়, অনেক মৎস্য বিশেষজ্ঞের মতে সেইল ফিশ মহাসাগরের সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণী। মাছটি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে, তর্কসাপেক্ষে যা ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। নৌকার পালের মতো এর পৃষ্ঠীয় পাখনাটি দেখতে হয় বলে একে সেইল (পাল) ফিশ বলা হয়।

সুরুজ হাওলাদার জানান, শুক্রবার ভোররাতে রঞ্জিত নামে এক জেলে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে যান। ২-৩ ঘন্টা পরে জালে বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে বলে ধারনা করেন তিনি। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সময় নিয়ে জাল টেনে নৌকায় তুলে দেখেন বড় এক পাখি মাছ ধরা পড়েছে। পরে দ্রুত মাছটি নৌকায় তুলে সোজা চলে আসেন মাছবাজারে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবদুল কুদ্দুছ বলেন, মাছটি সামুদ্রিক। বড় পাখনা থাকায় এটিকে পাখি মাছ বলা হয়। বিরল এ মাছ আগে কখনো এ অঞ্চলের মানুষ দেখেনি। এ কারণে মাছটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষ ভিড় করছে।

মাছটি সম্পর্কে জানতে ঢাকা মৎস্য অধিদপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এস এম মহিব উল্যাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ছবি দেখে তিনি জানান, মাছটির নাম সেইল ফিশ। সাগরের সবচেয়ে দ্রুতগামী কয়েকটি মাছের মধ্যে এটি একটি। এ মাছ সাড়ে ৩ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। মাছটি ১০০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়ে থাকে। মাছের একটি পৃষ্ঠীয় পাখনা থাকে, যা অনেক বড় হয়। এতে অন্য কোনো মাছ তাকে দেখতে পায় না। মাছটি সাগর থেকে ভুলক্রমে নদীতে চলে আসতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com