মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে ভাসমান পেয়ারার হাট, নেমেছে পর্যটকদের ঢল

ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে ভাসমান পেয়ারার হাট, নেমেছে পর্যটকদের ঢল


মো. নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

সরকারি বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পর ঝালকাঠির খালে-বিলে পেয়ারার ভাসমান হাট ও বাগান দেখতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে।প্রতিদিন ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ভাসমান পেয়ারা হাট ও বাগানের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন জেলার ৫৫ গ্রামে পেয়ারার চাষ হয়। বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে কয়েক হাজার মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছে এ পেয়ারা। তবে আষাঢ়-শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে এলাকার নদী-খালে বসে ভাসমান পেয়ারার হাট। এসব হাট থেকে সারাদেশে পেয়ারা সরবরাহ করা হয়।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ভীমরুলি বিলসহ বিভিন্ন খালে পেয়ারার ভাসমান হাট এখন জমজমাট। এ হাটে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি জাতের প্রতি মণ পেয়ারা ৪৫০ টাকা পাইকারি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে থাই জাতের পেয়ারা প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৮০০ টাকায়।
ঝালকাঠি কৃষি বিভাগ, পেয়ারা চাষি ও বাগান মালিক জানান, এ বছর সদর উপজেলার ২১ গ্রামে এক হাজার ৮৫০ একর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। এর মধ্যে কীর্তিপাশা ইউনিয়নের ভীমরুলি, কীর্তিপাশা, মীরাকাঠি, ভৈরমপুর, ডুমুরিয়া, খেজুরা, খোদ্দবরাহর, বেশাইন খান, শংকর ধবল, বেউখান, স্থানসিংহপুর ও নবগ্রাম ইউনিয়নের নবগ্রাম, হিমানন্দকাঠি, দাড়িয়াপুর, সওরাকাঠি ও কঙ্গারামচন্দ্রপুর গ্রামে সবচেয়ে বেশি পেয়ারা উৎপাদন হয়েছে।
ভীমরুলি বিলকে ঘিরে পেয়ারা বাগানের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র পর্যন্ত তিনমাস ভাসমান নৌকায় বসে পেয়ারার হাট। চাষিরা নৌকায় পাইকারি ও খুচরায় পেয়ারা কেনাবেচা করেন।
প্রায় ২০০ বছর আগে ভীমরুলি বিলের আশপাশে পেয়ারার আবাদ শুরু হয়। এ জাতটি আনা হয়েছিল ভারতের তীর্থস্থান গয়া থেকে। পরে এটি স্বরূপকাঠি জাত নামে পরিচিতি পায়। বংশ পরম্পরায় এখানকার মানুষ পেয়ারার আবাদ করে আসছেন। সাধারণত মাঘ-ফাল্গুন মাসে পেয়ারা গাছে ফুল আসে। আর ফল পাকা শুরু হয় আষাঢ় মাসে।
কীর্তিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহিম মিয়া বলেন, ঝালকাঠির পেয়ারা রাজ্যের সঙ্গে মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি। আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে পেয়ারার ভরা মৌসুম। এসময় দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ভাসমান পেয়ারা হাট-বাগান ও প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন।
ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, চাষিরা যে আবাদে লাভ বেশি পাবেন সেদিকেই আগ্রহী হবেন। যার ফলে এ এলাকার মানুষ পেয়ারা চাষে ঝুকছেন বেশি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com