সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
পাখির কলতানে মুখর তালতলীর লাউপাড়া

পাখির কলতানে মুখর তালতলীর লাউপাড়া

মোঃ হুমায়ুন কবির ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

গাছে পাতা নাকি বকের সংখ্যা বেশি- এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। কারণ,সাদা বকে ঢেকে গেছে সবুজ পাতা। ঠিক যেন সাদার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সবুজ। পাশের গাছে রয়েছে কয়েক জাতের সাদা বক, গুজিবক, পানকৌড়ি, শালিক।

বরগুনার তালতলী উপজেলার লাউপাড়া গ্রামে বাঁশবাগান এবং তেঁতুল গাছে নিরাপদ আশ্রয়ে পাখিরা। ভোর বিহানে পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙার প্রচলিত পরিবেশ সব গ্রামে এখন আর নেই। বন-বাদাড় উজাড়, ঝোপঝাড় কমে যাওয়াতে আমাদের জীববৈচিত্র্য পাক-পাখালি প্রায়ই বিপন্ন। উড়ন্ত পাখির দূরন্ত খেয়ালে এখনো কোথাও কোথাও পাখি বাসা বাঁধে, ডিম পাড়ে, বাচ্চা ফোটায়।

বাড়ির মালিক বক ও তাদের ছানাগুলোকে মাঝে মাঝে খেতে দেন। ছানাগুলো বাসা থেকে পড়ে গেলে তুলে দেন বাসায়। পাখিগুলো মালিকের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়। ছানাগুলো বড় হয়ে উঠলে পাখিগুলো চলে যায়।

গ্রামবাসীর ভালোবাসায় পাখির এই অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়েছে তালতলী উপজেলার ৭নং সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া গ্রামে। সার্বক্ষণিক পাখিগুলোর দিকে নজর রাখছেন গ্রামের ফোরকান ফরাজী ও আলকাছ ফরাজীসহ আশপাশের লোকজন। তাদের বাড়ি থেকেই প্রথম শুরু হয়েছিল পাখিগুলোর আতিথেয়তা।

ফোরকান ফরাজী জানান, গ্রামের আশপাশে রয়েছে ছোট ছোট কয়েকটি বিল ও খাল। আষাঢ় মাসের শুরুতে নদী, খাল ও বিলে বর্ষার পানি আসতে শুরু করলেই বক আর পানকৌড়িগুলো আসতে শুরু করে। গাছে গাছে বাসা বাঁধে, ডিম দেয়, বাচ্চা ফোটায়। নদী ও বিল থেকে খাবার সংগ্রহ করে। এরপর বাচ্চাগুলো বড় হয়ে উঠলে অন্যত্র চলে যায়। ছয় মাসের মতো পাখিগুলো এখানে থাকে বলে জানালেন তিনি।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে পাখিরা আশ্রয় নিয়েছে। যদিও গাছ-পালা তরুলতার ক্ষতি হয় তবুও আমরা পাখি তাড়াই না। আমাদের বাড়িতে সারা বছরই পাখি থাকে। তবে বৈশাখ মাস থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা আসে। এ সময় পাখিরা বাসা বুনে বাচ্চা ফোটায়। বাচ্চারা উড়াল দেওয়া শিখলে আবার আস্তে আস্তে চলে যায়। বক ছাড়াও আছে পানকৌড়ি শালিক ঘুঘুসহ বিভিন্ন জাতের দেশীয় পাখি।

সাবেক ইউপি সদস্য জলিল ফকির পাখিগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য গ্রামবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ গ্রামের মানুষের মতো সবাইকে পাখির প্রতি ভালোবাসা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com