মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:
প্রবাস ফেরত ৪০ বছর বয়সী মৎস খামার ব্যবসায়ি আশরাফ আহমেদ সুমন, আরেকজন পুলিশ সদস্য রাহেজুল আমিন বাধন (২৬) ও অপরজন ব্যবসায়ী সজিবকে (২৪)। দাউদকান্দি উপজেলার বাসিন্দা। তারা তিন ভাই। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতা, মাদক ব্যবসায়ি ও চাদাঁবাজ। এমন অভিযোগে সম্প্রতি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি মানববন্ধন করেছে একটি পক্ষ। এরই প্রতিবাদে তিন ভাই
বৃহস্পতিবার সকালে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে এ প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলন করেন ।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস খামার ব্যবসায়ি আশরাফ আহমেদ সুমন বলেন, আমার ভাই রাজিব হোসেন (৩৮) একজন সেনাবাহিনীর সদস্য, ছোট ভাই বাধন একজন পুলিশ সদস্য, ছোট ভাই সজিব (২৪) আমার সাথে মাছের খামারে ব্যবসা করে, ছোট ভাই সোহেব (২১) ঢাকার রাজউক কলেজ থেকে পাশ করে এখন আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে। আমাদের গ্রামের পাশের বাড়ির অধিবাসী পুলিশের এএসআই ফরহাদ একজন উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি চালক।
সম্পত্তি দখল বিরোধকে কেন্দ্র করে এএসআই ফরহাদ এবং তার বাবা-ভাই আমাদের সাথে চরমভাবে শত্রুতা ও নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে।
এ চক্রটি মানুষদের বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে সম্পত্তি দখল, মাছের খামারে লুটসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও জানমালের ক্ষয়-ক্ষতি করে আসছে।
সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর কয়েক দফা হামলা করেছে, সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে, আমাদের মাছের খামারের মাছ লুটে নিয়েছে, মাছের খামারে একাধিক বার বিষ প্রয়োগ করেছে। এসব ঘটনায় আমরা দাউদকান্দি থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছি।
গত ১৬ আগস্ট এই চক্রান্তকারী সন্ত্রাসীরা আমাদের নামে মিথ্যা তথ্যে মানববন্ধন করেছে । আমরা এ হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।
Leave a Reply