রকিবুজ্জামান, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি :
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সিডি খাঁন ইউনিয়নের নতুন চরদৌলাতখাঁ গ্রামে আড়িয়াল খাঁ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি,মসজীদসহ কয়েক একর ফসলি জমি।এ নদীর তান্ডবে ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ওই এলাকার সাধারন মানুষ।
এ ছাড়া নতুন করে নদী গর্ভে বিলিন হতে চলেছে শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলি জমি।এতে করে ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নদীর পাড়ের সাধারন জনগন। অনেকে বাড়িঘর ভেঙ্গে অন্যস্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিন ও ভূক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে,উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার দুরে রয়েছে সিডি খাঁন ইউনিয়নের নতুন চরদৌলত খাঁন গ্রাম।এ গ্রামের একেবারে পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আড়িয়াল খাঁ নদী।
এ গ্রামটি প্রত্যান্তঞ্চল হওয়ায় অবহেলিতভাবে পড়ে আছে। বিগত দিনেও নদী গর্ভে চলে গেছে এ গ্রামের অনেক গাছপালা,বাড়িঘর ও কয়েকশথ একর ফসলি জমি।নতুন করে কয়েক দিনের মধ্যে মজিবর শরিফ,দেলোয়ার শরিফ,আনোয়ার,রফিক ভান্ডারি,মজিদ বেপারীর মসজিদ,মাসুম বেপারী ও স্বপন শরিফসহ প্রায় অর্ধশত লোকজনের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
বর্তমানে ভাঙ্গন ঝুকিতে রয়েছে সত্তার মাওলানার মাজার,মনির খাঁন,কামাল খাঁন,নজরুল সিপাহিসহ শতাধিক বসতবাড়ি।এ নদীর তান্ডবে ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ওই এলাকার সাধারন মানুষ।এতে করে ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নদীর পাড়ের সাধারন মানুষ।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামালও উপসহকারি প্রকৌশলী তনু চন্দ্র কর ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত রফিক ভান্ডারী ও আলাল শরিফসহ বেশ কয়েকজন বলেন,আড়িয়াল খাঁ নদীতে আমাদের বসতবাড়ি ও ফসলিজমি ভেঙ্গে গেছে।এখনও অনেক বাড়িঘর ভাঙ্গতেছে।তাই আমরা এখানে বাঁধ নির্মানের দাবী জানাই।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন,খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসানের নির্দেশক্রমে আমিসহ সহকারি প্রকৌশলী তনু চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।
Leave a Reply