বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার হলদা গ্রামে জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন ছবেদ আলী বিশ্বাসের পরিবার। অভিযোগ উঠেছে, আবু আনসার বছরের পর বছর ঘুরিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে দিয়ে উল্টো ক্রেতা পক্ষের লোকজনকে হয়রানী করছেন।
হলদা গ্রামের বাসিন্দা ছবেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক গোলাম সরোয়ার বিশ্বাস জানান, আমার পিতা ( ছবেদ আলী বিশ্বাস) ১২ বছর আগে একই গ্রামের মৃত রাহেন বিশ্বাসের ছেলে আবু আনসারের কাছ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৩৩ টাকায় ২৬ শতক জমি কেনেন। যার খতিয়ান নম্বর ২০১ ও দাগ নম্বর ১০৬৯। ভালো সম্পর্কের কারণে ওই সময় জমি রেজিস্ট্রি করা হয়নি। পরে আবু আনসার বিদেশ চলে যায়। বিদেশ থেকে আসার পর জমি রেজিস্ট্রির করার কথা বললে নানা অজুহাতে ঘুরাতে থাকে। গোলাম সরোয়ার আরও জানান, পরে ওই জমি ছেলের নামে হেবা দলিল মুলে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে আবু আনসার। বিষয়টি জানতে পেরে ওই জমি তার ছেলের নামে রেজিস্ট্রি না করার জন্য বাঘারপাড়া সাব রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়। আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছিলেন বাঘারপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা জান্নাত। গোলাম সরোয়ার জানান, ক্রয়কৃত জমি আমার পিতার নামে রেজিস্ট্রি করার দাবি জানিয়ে গত ১৮ জুন স্থানীয় গন্যমান্যদের নিয়ে আবু আনসারের বাড়িতে গেলে তারা তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। প্রতিপক্ষ আমাদের প্রাণনাশসহ মিথ্যা মামলা করারও হুমকি দেয়া হয়। এই ঘটনায় গোলাম সরোয়ার বিশ্বাস আবু আনসারের বিরুদ্ধে বাঘারপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয় আবু আনসার গং। আমাদেরকে শায়েস্তা করার জন্য নানাভাবে হয়রানীর চেষ্টা করা হয়। এদিকে,গত ১৭ আগস্ট আমার অসুস্থ পিতা ৬ ভাইকে আসামি করে ৭ ধারায় আদালতে মামলা করেন আবু আনসার। এতে আমরা হতবাক হয়েছি। কেননা ওই দিন আমরা ঘটনাস্থলে যাননি। তারপরেও গোয়াল ঘরে আগুনসহ মিথ্যা গল্প সাজিয়ে মামলা করা হয়েছে। জমি ক্রয় করে আমরা রীতিমতো বিপাকে রয়েছি। ক্রয়কৃত জমি আমার পিতার নামে রেজিস্ট্রি না করার পায়তারা করছেন আবু আনসার। এই ব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন গোলাম সরোয়ার বিশ্বাস।
Leave a Reply