এম. এম শাহীন আল আমীন, জামালপুর ॥
দশানী নদীর ভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে বকশীগঞ্জ উপজেলার দুই শত বছরের কুশল নগর দক্ষিনপাড়া গ্রামের মানচিত্র। তীব্র ভাঙ্গনের কবলে বসতবাড়ী ও ভূমিহীন হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। বিলিন হয়ে যাচ্ছে অনেক আবাদী জমি। জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের প্রাচীনতম গ্রাম কুশল নগর দক্ষিনপাড়া গ্রাম। এই গ্রামের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে করালগ্রাসী দশানী নদী। এই গ্রামে ৬/৭ হাজার লোকের বসবাস। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে কুশল নগর গ্রামে। দশানী নদীর তীব্র ভাঙ্গনে সব কিছু তছনছ হয়ে গেছে। গ্রামের সিংহভাগ বিলিন হয়ে গেছে দশানী নদী গর্ভে । কয়েকটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানসহ শত শত ঘর বাড়ি নদী গ্রাস করেছে। একই কারণে হারিয়ে গেছে অনেক আবাদী জমি। ভূমিহীন ও গৃহহীন হয়ে পড়েছে ২শতাধিক পরিবার। ভাঙ্গনের কবলে পাল্টে যাচ্ছে কুশল নগর গ্রামের মানচিত্র। তার পরেও নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থা নেওযা হয়নি। এব্যাপারে কুশল নগর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বার বার বলা হয়েছে। কিন্তু কোন প্রতিকার হয়নি। এব্যাপারে বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার জানান,উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুন মুন জাহান লিজা সরেজমিনে পরির্দশন করেছেন। আশা করি ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুন মুন জাহান লিজা জানান, সরেজমিনে কুশলনগর গ্রামের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন শেষে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সমস্যা সমাধানের আশ^াস দিয়েছেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
Leave a Reply