নোয়াখালী প্রতিনিধি
বাংলাদেশ আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেছেন, যারা অপরাজনীতি করে,আ.লীগকে নিজের সম্পত্তি মনে করে তারা এ দলটাকে শেষ করে দিয়েছে। আ.লীগের যে আদর্শিক চরিত্র সেটির ওপর একের পর এক আঘাত করা হচ্ছে। এ শোকের মাসেও কয়েকজন কর্মিকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। হা-পা ভাঙ্গা হয়েছে। ব্যক্তি বিশেষের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য।
শনিবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের মির্জার লাইভকে উদ্দেশ্য করে মঞ্জু বলেন,আজকে কিছুক্ষণ আগে একজনের লাইভ দেখছিলাম। নিচে দিয়ে একজনে মন্তব্য করলেন দুইজনেই এক লক্ষ গুণ পাগল। অর্থাৎ একজন , আরেকজন জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বলছেন। সেখানে মন্তব্য আসছে দুইজনই এক লক্ষ গুণ পাগল। এ শোকের মাসে নোংরা ভাষায় কেউ কারো বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার কি প্রয়োজন ছিল।
তিনি বলেন, আমরা কারো পক্ষ নই। আমাদের নেতা শেখ হাসিনা আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের। আমরা উপজেলায় রাজনীতি করি জেলা আ.লীগের রাজনীতি মাথাও ঘামায় না। আমরা শুধু চেয়েছি কোম্পানীগঞ্জের অপরাজনীতিটা বন্ধ হোক। ছোট্র ভাষায় একটা আবেদন করতে চায়। কোম্পানীগঞ্জের এ অপরাজনীতি বন্ধ করতে হলে, যিনি অভিযোগ করছেন, যার বিরুদ্ধে করছেন। দুই জনকেই এখান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। দেখা যাক আ.লীগ ঠিকমত চলে কিনা।
মুখপাত্র বলেন, কোম্পানীগঞ্জে আজ কেউই নিরাপদ নেই। করো মানসম্মান, অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নেই। কারো কারো আশ্রয় প্রশ্রয় পেয়ে এখানে কেউ কেউ এত বেশি আস্ফালন দেখাচ্ছেন, তিনি নিজেই জানেননা তার অবস্থাটি কি। আমাদের কাছে সকলের তথ্যও ডাটা আছে প্রমাণ সহ। ইজ্জত সম্মান কারো থাকবেনা। আমি শুধু শোকের মাসে দলের সভানেত্রী এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে শোকের মাসে অনুরোধ জানাব কোম্পানীগঞ্জের আ.লীগের নেতাকর্মিকে ও আ.লীকে রক্ষা করেন। কোম্পানীগঞ্জের প্রশাসন তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। পক্ষ বিপক্ষের নামে এখানে নিরীহ নেতাকর্মিদেরকে ধরে নিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে। যা সামাজিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হচ্ছে।
মঞ্জু অভিযোগ করেন, পৌরসভায় বসে আমাদের এবং আমাদের সাথের কিছু শীর্ষ নেতার তালিকা করা হয়। দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় তাদেরকে গ্রেফতারের এবং তাদের হাত পা ভাঙ্গার। কাউকে কাউকে জানে মেরে ফেলারও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের নূন্যতম ইজ্জত কি এখানে আছে। যদি ইজ্জত থাকে। আপনাদের অনেক অফিসারের মাকে ওতো গালি দেওয়া হয়েছে। এরপর দলের উচ্চ পর্যায়ে কোম্পানীগঞ্জের বিষয়ে যোগাযোগ করব। যারা অপরাজনীতি,চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে এবং শেখ হাসিনার কষ্টার্জিত ক্ষমতার ধরে রাখা আ.লীগে এদের কোন অর্জন নেই। লম্বা লম্বা যারা কথা বলে আ.লীগ ক্ষমতায় থাকায় এদের কোন অবদান নেই। আমাদের আস্থার ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের প্রতি আহ্বান জানাবো যারা অপরাজনীতি করছে তাদেরকে দল থেকে বের করে দেন। যত তাড়াতাড়ি করবেন তত তাড়াতাড়ি কর্মিরা রক্ষা পাবে, দল রক্ষা পাবে।
Leave a Reply