ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী:
বগুড়ায় একটি হাইওয়ে হোটেল ১৪টি জেলার ভাড়ি যানবাহনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। বগুড়া শাজাহানপুরে বগুড়া-ঢাকা প্রধান সড়কে প্রতিনিয়িত যানজোটের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। যার কারনে প্রয়াশই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনাসহ অনাকাঙ্খিত মৃত্যু। উপজেলা পরিষদ, পুলিশ, ভোক্তা অধিকার দপ্তর এবং সেনেটারী পরিদর্শকের নেই কোন জোড়ল ভুমিকা।
হাইওয়ে হোটেলের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে স্থানীয় প্রসাশনের নাকের ডোগার সামনেই তার এই অনিয়ম প্রমান বহন করছে। উত্তর বঙ্গের প্রায় ১৪ টি জেলার বিভিন্ন ধরনের ভাড়ি যানবাহন চলাচল করে এই সড়ক দিয়েই। প্রতিদিন সকাল, দুপুর এবং সন্ধায় বেশামাল যানজোটের সৃষ্টি হচ্ছে। নেই কোন স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ততপরতা।
বগুড়া শহর থেকে শাজাহানপুর উপজেলার দূরত্ব মাত্র ৯.৪কি:মি:। উপজেলা পরিষদ এবং পুলিশ ষ্টেশন এর নিকটেই জব্বার হাইওয়ে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট। এই হোটেলের মালিক জব্বার, সে সরকারি কোন নির্দেশনা না মেনেই হোটেল নামের ভয়ঙ্কর মৃত্যু ফাঁদ তৈরী করেছে। তার নিজের ব্যবসায়ী চিন্তা চেতনা ভাল থাকলেও সড়ক ও জনপথের জন্য বিষ ফোড়ঁ। স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে তার দাপট। দীর্ঘদনি যাবত একই ভাবে চলমান রয়েছে তার অনিয়মের রাজত্ব।
এই সড়ক দিয়ে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের বিভিন্ন মালামল আমাদানি ও রপ্তানী হচ্ছে। ওই সকল কাছে ব্যবহারিত হচ্ছে ভাড়ি যানবাহন। বিভিন্ন সময়ে এলপিজি, অক্সিজেনসহ নানা রকম রাসায়নিক পর্দাথ বহন করে নিয়ে যায় অনেক বড় ধরনের লড়ি। এছাড়া যাত্রীবাহি বাসসহ চলছে সিএনজি, অটো রিক্সা, ভ্যানসহ চলছে বিকল্প পরিবহন। এই সকল পরিবহন গুলো দেশ ও জাতির জন্যই খুবই গুরত্বপূর্ন। অথচ উত্তর বঙ্গের প্রান কেন্দ্র বগুড়া জেলা অতিবাহিত করতেই বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে জব্বারের হোটেল।
এবিষয়ে স্থানীয়রা তাদের পরিচয়ে কিছু বলার সাহস না পেলেও তারা নিশ্চিত করে জানান, এই হোটেল মালিকের সাথে উপজেলা পরিষদ, পুলিশসহ সরকারী দপ্তরের সঙ্গে রয়েছে নিবিড় সক্ষতা। যার কারনে এই হোটেলের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জব্বার হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট বিষয়ে উপজেলা পরিষদ, পুলিশ, ভোক্তা অধিকার দপ্তর এবং সেনেটারী পরিদর্শক আশানুরূপ উত্তর দিতে পারেন নি।
Leave a Reply