ইয়ামিন হোসেন পাটোয়ারী (কালিয়াকৈর)
মহামারী করোনাভাইরাসের তান্তবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গোটা বিশ্ব। মহামারী যেন গোটা বিশ্বকে হাতের মুঠোয় নিয়েছে। এখন যেন আতঙ্কের আর এক নাম করোনাভাইরাস। প্রতি দিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। মহামারী ঠেকাতে কঠোর লকডাউনও জারি করছে বিভিন্ন রাষ্ট্র। সেই দিক থেকে লকডাউনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। এই লকডাউনে ক্ষতির মুখে পড়ছে বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ীরা। দেশে কঠোর লকডাউনে বন্ধ রয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠান, গাঁয়ে হলুদ, গান-বাজনা, সামাজিক ও পারিবারিক সকল অনুষ্ঠান। এতে বিপাকে পড়েছে গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন ডেকোরেটর ও সাউন্ড ব্যবসায়ীরা।
ডেকোরেটর ব্যবসায়ী হারুন জানান, আমি গত কয়েক বছর যাবত এই ব্যবসা সাথে যুক্ত আছি। দীর্ঘ দেড় বছর যাবত মহামারীর কারনে কঠোর লকডাউনে আমার ব্যবসাটা ধংসের পদে। কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমার। তাই জীবিকার চাহিদায় তারা এই কাজ ছেড়ে দিয়েছে। এখন নিজেই দোকানে আছি সকাল হলে দোকান খুলি বিকাল হলে চলে যাই।
অন্যদিকে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী আরিফ বলের, আমি নিজে চাকরি করে কিছু টাকা দিয়ে কয়েকটা সাউন্ড বক্স কিনে ব্যবসায় শুরু করি কিন্তু কঠোর লকডউনে সাউন্ড বক্স বাড়া না হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়তে হয় আমাকে। তাই আমি সাউন্ড বক্স বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেই কিন্তু তাও বিক্রি করতে পারছি না। তিনি আরো বলেন এগুলো ইলেকট্রনিক জিনিস ব্যবহার না করলে নষ্ট হয়ে যাবে।
কালিয়াকৈর ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি জলিল মিয়া জানান, দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমরা সবাই ক্ষতির মুখে পড়েছি তিনি বলেন আমি নিজেও একজন ব্যবসায়ী। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে সরকারি আর্থিক সাহায্য জন্য নাম দিতে গিয়ে ব্যর্থ হন তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ জানান , ‘পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাউন্ড সিস্টেম ও ডেকোরেটর মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা কোন ধরনের সহযোগিতার আবেদন এখন পর্যন্ত পাইনি। যদি তাঁরা কখনও সহযোগিতার জন্য আমাদের কাছে আসেন বা আবেদন করেন তবে সংশ্লিষ্ট উর্ধবতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটা সমাধান ও সহযোগিতার ব্যবস্থা করবো ।
Leave a Reply