সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ত্রিশালের হৃদয়ের স্পন্দন ইউএনওর বদলী তে বিদায়,হৃদয়ে রক্তক্ষরণ

ত্রিশালের হৃদয়ের স্পন্দন ইউএনওর বদলী তে বিদায়,হৃদয়ে রক্তক্ষরণ


আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহঃ


ময়মনসিংহের ত্রিশালের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বদলি জনিত কারণে বিদায়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।সাধারণ জনগণ শুনতে চাচ্ছেন ত্রিশাল উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বদলি হচ্ছেন না।তারপরেও কথা আছে যেতে নাহি দিব হায় তবু যেতে হয়,তবু চলে যায়।তারা আরো বলেন আমরা হারাতে যাচ্ছি আমাদের এমন একজন অভিভাবক যিনি ত্রিশালের মানুষের যে কোনো আপদে-বিপদে,সময়ে,অ-সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন।সাধারণ জনতা নির্দ্বিধায় উপজেলা নিবার্হী অফিসারের রুমে গিয়ে বসতে পেরেছেন,মনের কথা ব্যক্ত করার সুযোগ পেয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় হয়েছেনময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার।স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন স্থানীয় সরকার পুরষ্কার-২০২০।তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার এই মহাসংকটে ছুটে গিয়েছেন ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে।অসহায় জনতার,প্রত্যেক ঘরে ঘরে,নিজ হাত দিয়েছেন ত্রাণ।এছাড়াও তিনি সরকারি যেকোনো ত্রাণ  ত্রিশাল উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে তাদের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন সেবাসমূহ যাচাই-বাছাই করে সঠিক অসহায় লোকের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।সাধারণ মানুষ বলছে,আমাদের চোখে দেখা একজন ন্যায় বিচারক,মেধাবী ও বিচক্ষণ অফিসার। তিনি যেখানেই মানুষের দুর্ভোগের কথা শুনেছেন, সাথে সাথেই সেখানে ছুটে গেছেন দুর্ভোগ লাগবের জন্য। ত্রিশালের মানুষ প্রয়োজনের সব সময় কাছে পেয়েছে।সরকার ঘোষিত সকল বিধি নিষেধ কার্যকরে তিনি ছিলেন সোচ্চার। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তিনি কাজ করেছেন একজন প্রকৃত ত্রিশালবাসী হিসাবে।জানা যায়,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ভালোবেসে শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছিলেন পেশা হিসেবে।কিন্তু পারিবারিকভাবে বিশেষ আগ্রহের কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও হয়েছেন প্রশাসনের ক্যাডার।যেখানেই থাকেন যেভাবে থাকেন সততা আদর্শ নীতি নিয়ে সর্বোচ্চ আসনে বসেন এটাই ত্রিশাল বাসীর প্রার্থনা। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com